বাংলাদেশ সকাল
বুধবার , ২৭ আগস্ট ২০২৫ | ২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

সুনামগঞ্জে ভারতীয় গরু নিলাম কার্যক্রম স্থগিত: জিম্মাদার নাটক মঞ্চস্থ করতে গিয়ে ফেঁসে যাচ্ছেন এডিএম রেজাউল করিম

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২৭, ২০২৫ ৫:৩৪ অপরাহ্ণ

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জে আটককৃত ৯০টি ভারতীয় গরুর নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আটকের দীর্ঘ চার মাস পর নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রায় ৭০ জন দরদাতার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকার পে-অর্ডার গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু গরুগুলোর জালিয়াতি সন্দেহে সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছে। এ ঘটনায় সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ রেজাউল করিমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার পর সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাস কক্ষে নিলাম সংক্রান্ত কমিটির আহ্বায়ক ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এই স্থগিতাদেশ ঘোষণা করেন। জনাকীর্ণ আদালতে দুইজন বিচারক একত্রে এজলাসে বসে জানান, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নং ০২ (জিআর ১২৬/২০২৫), তারিখ ৪/৫/২০২৫-এর মাধ্যমে জিম্মাদারদের কাছে দেওয়া ৯০টি গরুর ভরণপোষণ বাবদ ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ের দাবি করা হয়েছে।

আদালতের সামনে উপস্থাপিত গরুগুলোর বিস্তারিত পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এগুলোর আকার-প্রকার পূর্বের জব্দকৃত গরুর সঙ্গে মিলছে না। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আদালতের নিলাম কমিটি নিশ্চিত হয়েছে যে, গরুগুলো উপস্থাপনে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এ কারণে বিজিবি সহ সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করে নিলাম কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল সুনামগঞ্জের সাংবাদিকদের সংবাদের ভিত্তিতে ২৮ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) সদস্যরা দোয়ারাবাজার থেকে সুরমা নদীপথে একটি স্টিলবডি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে পাচারকালে ৯০টি ভারতীয় গরু আটক করে। আটককৃত গরুগুলো তৎকালীন চোরাচালানবিরোধী টাস্কফোর্সের সভাপতি ও জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এর আওতাভুক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৫ জন চোরাকারবারীর কাছে জিম্মা দেন।

এই জিম্মাদানকে ‘জিম্মা নাটক’ বলে অভিহিত করে সিলেটের বিভাগীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এটিকে বেআইনি ঘোষণা করে। ফলে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে সুনামগঞ্জের সচেতন ৮-১০ জন সাংবাদিক লিখিত বক্তব্য দেন।

২৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে নিলাম কমিটির আহ্বায়কের এজলাস কক্ষে প্রকাশ্য নিলামের জন্য গরুগুলো বিক্রয়ের পরিকল্পনা ছিল। আগ্রহী ক্রেতাদের ১০ লাখ টাকা জামানত হিসেবে রুপালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে (১৯৩৩০২৪০০০০২৩) পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে বলা হয়। গত ১০ আগস্ট ৩৮২ নং স্মারকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন নিলাম বিজ্ঞপ্তি জারি করলে একাধিক আগ্রহী অংশগ্রহণ করেন।

কিন্তু কাস্টমস ও বিজিবি কর্তৃপক্ষের মতে, এই নিলাম এখতিয়ারবহির্ভূত। কাস্টমসকে উপেক্ষা করে আদালত একতরফা নিলাম করতে পারে না বলে চ্যালেঞ্জ করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়েছে।

এর আগে সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক খবরপত্র প্রতিনিধি হোসাইন মাহমুদ শাহীনসহ ৮ জন সাংবাদিক ২১ আগস্ট তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের কমিশনার রেজভী আহাম্মেদ এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিভাগীয় কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার গৌরব মহাজনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১২ মে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের ০৮.০১.৬০০০.০১৭.৩৪.০০৩.০৭ (অংশ-১)/২৪৬৮ নং স্মারকাদেশ মোতাবেক আব্দুল আলী নামের এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

অভিযোগে সাংবাদিকরা বলেন, ৩০ এপ্রিল সুনামগঞ্জ শহরের আব্দুল জহুর সেতুতে অবস্থান করে নদীপথে ৯০টি ভারতীয় চোরাই গরু পাচারের সংবাদ দেখে তারা বিজিবিকে মোবাইল কল করে সংবাদ দেন। বিজিবি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের অচিন্তপুর গ্রামের সামনে সুরমা নদীতে নৌকাসহ গরুগুলো আটক করে হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যায়। সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অমিত সাহা এগুলোকে ভারতের মেঘালয় এলাকার গরু বলে লিখিত মতামত দেন।

সাংবাদিকরা বিজিবির মল্লিকপুরস্থ হেডকোয়ার্টারে গিয়ে গরুগুলোর ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় কাস্টমস কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন কাস্টমস আইন ২০২৩ অনুযায়ী গরুগুলো নিলাম দেওয়ার কথা বললেও, এডিএম মোহাম্মদ রেজাউল করিমের দোহাই দিয়ে ৫ জন ব্যবসায়ী (পরে চোরাকারবারী বলে জানা যায়) অনধিকার প্রবেশ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। অভিযোগে বলা হয়, এডিএম রেজাউল করিম ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাস্টমস আইন উপেক্ষা করে এই ৫ জনের কাছে যোগসাজশে গরুগুলো জিম্মা দেন।

এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে এবং স্থগিত নিলামের পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের পর।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জ সড়কে প্রাণ গেলো ২ শ্রমিকের 

রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩টি দরপত্রের ঠিকাদারি অনিয়ম ও গড়িমসি’র অভিযোগ

পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি বুলু, সম্পাদক জাকির

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ‘মঞ্জু টেক্সটাইল’ মিলে গ্যাস লাইনের লিকেজ বিস্ফোরণে ৩ জন দগ্ধ

আমতলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেখ রাসেল দিবস পালিত 

ফুলপুরে অস্ত্রবিহীন ভিডিপির ম‍ৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী 

যশোরের সড়কে মৃত্যুর মিছিল, লম্বা হচ্ছে প্রতিদিন

জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন মসিক মেয়র 

যশোরে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ

সুনামগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী কিছু ছাত্ররা অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জাড়িত থাকায় সভা পন্ড