

তবু তারা হলো আমার মত কর্মীদের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এদের জন্য এখনো রাজনীতিতে সক্রিয় ত্যাগী কর্মীরা। একটা সময় রাজনীতি ছিল রাজানীতি। যাদের পরিবারের ঐতিহ্য সমাজের উচুমানের এবং মেধাবীরা রাজনীতি সাথে জড়িত ছিল এবং আবার অনেকের ছিল রাজনীতি নেশা। রাজনীতি করতে গিয়ে নিজের পকেটে টাকা খরচ করে মিটিং মিছিল করত। পরিবারের টাকা নিয়ে অনেকে রাজনীতি পেছনে ব্যয় করত, এমনকি রাজনীতি করতে গিয়ে অনেকে জমি বিক্রি করে সংগঠনের জন্য খরচ করেছেন সেরকম নেতাদের বর্তমানে পদ পদবী দুরে থাক তাদের খবর রাখে কি না সন্দেহ। তখন রাজনীতি ছিল রাজানীতি, আর বর্তমানে উল্টা।
সে সময় একজন রাজনীতি কর্মীকে শ্রদ্ধা আর সন্মান করত। সেই সময়ের নেতাদের ঘর ছিল সাধারণ মানুষের কেন্দ্র। তখন একজন জন্য আরেকজন বিপদের পড়লে এগিয়ে যেত। অন্যায়কারীদের কোন আশ্রয় প্রশ্রয় দিত না।
রাজনীতি কাছে নেশা ছিল আর এখন পেশা হিসেবে ব্যবহার করছেন অনেকে। যা দুঃখজনক এবং রাজনীতির জন্য ক্ষতিকরও বটে।
এক সময় ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক মেধাবীরা সংগঠনের জন্য নিজের জীবন দিয়ে কাজ করে গেছেন, এমনি কি সংগঠনের অনেক কর্মী এবং নেতা প্রাণ দিয়েছেন।
তাদের পরিবারের খবর বর্তমান নেতারা কি রাখছেন ?
এমনি কি তাদের কবরে কেউ কি শ্রদ্ধা করতে যাচ্ছেন?
আর যে দুঃসময়ের রাজনীতি জন্য রাজপথ ছিল নিজেকে দিন রাত ঘরছাড়া হয়ে সংগঠনের জন্য ত্যাগ করেছে তারা আজ কোথায় ? অথচ দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে হাইব্রিড এবং অযোগ্য তেলবাজি, টাকা, ক্ষমতা আর চামচামিদের দাপটে ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছে অভিমান করএ। যা আগামী ভবিষ্যৎ সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর।
এইসব পিছনে একশ্রেণির নেতা দায়ী, যা অংস্বীকার করা সম্ভব না। এই সব চলতে থাকলে আগামী প্রজন্মের জন্য অশনিসংকেত, যা ক্ষতিকর ও অমানবিক।
রাজনীতি কি রাজনীতি জায়গা আসলে নেই ? রাজনীতি কি অরাজনৈতিক ব্যাক্তিদের নিকট চলে যাচ্ছে?
টাকা , চামচামি, ব্যাসায়ী তেলবাজ যে যত করতে পারবে সে ততবেশী বড় নেতা হওয়া যায়? আর যার যতবেশী টাকা থাকবে সেও এখন বড় নেতা হতে পারবে তার কোন রাজনীতি প্রয়োজন হবে না? বলতে গেলে অপরাজনীতি বর্তমানে এগিয়ে যাচ্ছে যা দুঃখজনক।
রাজনীতিবিদ প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা পার্লামেন্টিয়ান জননেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, রাজনীতি এখন রাজনীতিবিদের কাছে নেই। সত্যি কথা রাজনীতি বিপর্ষযের মুখে পতিত হচ্ছে। তার থেকে পরিত্রপরিত্রাণ পাওয়া জন্য সঠিক জায়গায় সঠিক নেতা বানাতে হবে। অরাজনীতি ব্যাক্তি দিয়ে রাজনীতি পরিচালিত হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস অনিবার্য।
ফয়সাল বাপ্পি : সাবেক সহ সম্পাদক কেন্দ্রীয় নিবার্হী সংসদ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ( ২০১১----২০১৫)।
মেইল: bangladeshsokal@gmail.com, web: www.bd-sokal.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ সকাল. All rights reserved.