
এনামুল হক ছোটন : সারাদেশে সকল কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে (২০২৩-২৪) অর্থ বছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে ৯৫ এর উপরে নম্বর পেয়ে ১ম স্থান অর্জন করেছে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। এ নিয়ে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (২০২২-২৩) অর্থবছর ও (২০২৩-২৪) অর্থবছর অর্থাৎ পরপর দুইবার সারাদেশে সকল কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ১ম স্থান অর্জন করেছে। যার কৃতিত্বের দাবিদার ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মেধাবী ও পরিশ্রমী (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মো: শওকত হোসেন।
বর্তমান যুগ, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির যুগ। বিজ্ঞানের তথ্য ও তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তির দ্বারা নব নব আবিষ্কার সমর্থ বিশ্বকে শিকর হতে শিখরে উন্নীত করেছে। ফলে বর্তমান বিশ্বে কারিগরি শিক্ষার অবদান অনস্বীকার্য। ময়মনসিংহ বিভাগের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যক্রম পরিচালনায় অন্যতম, ব্যতিক্রমধর্মী ও সময়োপযুগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাবীদার। এই দাবীকে সামনে রেখে “একটাই লক্ষ্য, হতে হবে দক্ষ” শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে অধ্যক্ষ মো: শওকত হোসেন প্রতি বছর দক্ষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করে চলেছে সমাজ, দেশ তথা জাতির পতাকাকে বিশ্বের বুকে চির সমুন্নত রাখতে এবং তারাই পুরস্কার হিসেবে পর পর দুইবার সারাদেশে মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন।
উল্লেখ্য-ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দেশের মধ্যম স্তরের প্রকৌশলী তৈরীর লক্ষ্যে ১৯৬৩ খৃষ্টাব্দে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপিত হয়। বর্তমানে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রথম সারির পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে অন্যতম। অত্র প্রতিষ্ঠানে সাতটি টেকনোলজি রয়েছে - সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, পাওয়ার, ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলিজি ও ইলেকট্রোমেডিক্যাল টেকনোলজি এবং প্রায় সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে সীমান্ত জেলা ময়মনসিংহ শহরের মাসকান্দায় এর অবস্থান। মোট ২৭.৩৮৫২ একর ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কটি দু-অংশে বিভক্ত করে রেখেছে। সড়কের পূর্বপাশ্বে একাডেমিক-কাম প্রশাসনিক ভবন, ওয়ার্কসপ/ল্যাব, শিক্ষক-কর্মচারীদের আবাসিক ভবনসমূহ, মসজিদ, কেজি স্কুল ও ছাত্রী নিবাস এবং পশ্চিম পার্শ্বে খেলার মাঠ, পুকুরসহ দুটি ছাত্রাবাস রয়েছে।
মেইল: bangladeshsokal@gmail.com, web: www.bd-sokal.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ সকাল. All rights reserved.