
ঈদগাঁও কক্সবাজার প্রতিনিধি॥ উপ-সড়ক খ্যাত কক্সবাজার ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে চলাচলরত তিন চাকার যানবাহন টমটমে টোকেনে দৈনিক টাকা আদায় করায় হতাশ হয়ে পড়েন চালকরা। সড়কে টোকেন মাসোয়ারার নামে বানিজ্য অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আদায়কৃত টাকা কোথায় যাচ্ছে চালকরা আদৌ তা অবগত নন।
যাত্রীদের অভিযোগ, টমটমের হরেক রকম সমিতির নামে অব্যাহত রয়েছে টোকেন বাণিজ্য। চৌফলদন্ডীর পুরাতন সিএনজি স্টেশন পয়েন্টে চলাচলরত টমটম চালকদের কাছ থেকে দৈনিক টোকেনে আদায় করা হচ্ছে টাকা। নেই কোন অভিযান।
৮ই জানুয়ারী দুপুরে এক গনমাধ্যমকর্মী চৌফলদন্ডী থেকে ঈদগাঁওয়ের দিকে যাচ্ছিল টমটম করে। যাওয়ার পথে চৌফলদন্ডীর পূর্বের সিএনজি ষ্টেশনে পৌছঁলে দায়িত্বশীল এক যুবক টোকেন দিয়ে টমটম চালকের কাছ থেকে বিশ টাকা নেয়। কিসের টাকা জানতে চাইলে, জনৈক ব্যাক্তি চট্রগ্রামের ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে টোকেনে টাকা আদায় করার কথা জানান।
টোকেনে লেখা রয়েছে দৈনিক কল্যান তহবিল। কক্সবাজার ব্যাটারী চালিত ই-বাইক (টমটম) মালিক শ্রমিক সমিতি বৃহত্তর চৌফলদন্ডী (রেজী নং চট্র : ২৫৪৫)। তবে টোকেনটিতে সভাপতি/সাধারন সম্পাদকের নেই কোন স্বাক্ষর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চালক ক্ষোভের ভাষায় জানান, চৌফলদন্ডীতে সিএনজি স্টেশনে টোকেন বানিজ্যে অর্থ আদায়ের বিষয়টি অযোক্তিক। দৈনিক হারে একটি টমটম থেকে বিশ টাকা দিতে হয়, না দিলে গালিগালাজ বা অপদস্ত করা হয় তাদেরকে। আদায়কৃত এসব অর্থ কোন খাতে জমা হয় তা বুঝে উঠতে পারছেননা চালকরা। গোয়েন্দা নজরদারীর মাধ্যমে তা খতিয়ে দেখার আহবান জানান সড়কে চলাচলরত চালকরা।
ক'জন টমটম চালক জানান, দৈনিক ৩/৪ শত টাকা ভাড়া মারলেও পথে টোকেন বানিজ্যের নামে অবৈধ পন্থায় টাকা দিতে হয়। বাকী টাকা দিয়ে টমটমে চার্জ, মালিকের ভাড়া, পরিবার পরিজন নিয়ে দুমুঠো ভাত খেতে বিপাকে পড়ছি। টোকেন থেকে কবে মুক্তি পাব?
চৌফলদন্ডী ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের সাথে আলাপ হলে তিনি ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী সড়কে টোকেন দিয়ে অর্থ আদায়কারীদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট।
সচেতন মহলের মতে,সড়কে যানবাহনের চালক থেকে টোকেন বানিজ্য বন্ধসহ তদন্ত পূর্বক এই কাজে জড়িত হয়ে অবৈধ পন্থায় টাকা উত্তোলন কারীদের বিরুদ্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার দাবী।
মেইল: bangladeshsokal@gmail.com, web: www.bd-sokal.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ সকাল. All rights reserved.