
মোহাম্মদ মাসুদ॥ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সপ্তাহ না যেতেই আবারো অগ্নিকাণ্ডে নিরাপত্তাহীনতা ও আতংকে এলাকাবাসী।ইউনিটেক্স স্পিনিং মিলের তুলার গোডাউনে আগুন দীর্ঘ ১২ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের ছোট কুমিরা এলাকার তুলার গোডাউনে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের সীতাকুণ্ড ও কুমিরার ৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ ও নিভানোর চেষ্টা করে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আগ্রাবাদের ৩টি ইউনিট এসে যোগ দেয়।
বিকাল তিনটা খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ করছে।পানির সংকটে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
আগুন লাগা এই গোডাউনটি এসএল গ্রুপ থেকে ইউনিটেক্স স্পিনিং মিলের তুলা রাখার জন্য ইউনিটেক্স গ্রুপ ভাড়া নেয়।
স্থানীয়রা জানান গোডাউনের ওয়েল্ডিংয়ের কাজের সময় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই দায় অস্বীকার করে ইউনিটেক্স গ্রুপের পরিচালক বলেন, কী কারণে আগুন লেগেছে তা তদন্তের জন্য উপজেলা প্রশাসন,পুলিশ ও কোম্পানির প্রতিনিধি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহাদাত হোসেন বলেন,ফায়ার সার্ভিস যথাসাধ্য চেষ্টা করছে আগুন নেভানোর জন্য। এবং কি কারণে আগুন লেগেছে তা তদন্ত করে বের করা হবে।এবং গোডাউন মালিকদের সচেতন হওয়ার তাগিদ দেন।
এর আগে গত ৪ মার্চ সীতাকুণ্ডের কদম রসুলে সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭জন নিহতসহ শতাধিক আহত হয়।বারবার এমন বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘঠনায় জান মালের অপূরনীয় ক্ষয়ক্ষতি দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্তরা সেইসাথে নিরাপত্তাহীনতা ও আতংকে রয়েছে এলাকাবাসী। এমন আকস্মিক অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে আরো বেশী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি সাবধানতা সচেতনতা প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।
মেইল: bangladeshsokal@gmail.com, web: www.bd-sokal.com
Copyright © 2026 বাংলাদেশ সকাল. All rights reserved.