বাংলাদেশ সকাল
বৃহস্পতিবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

নাটোর ৪ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান আব্দুল কাদের 

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

ইমাম হাছাইন পিন্টু: আগামী ১১ ই অক্টোবর নাটোর ৪ ( বড়াইগ্রাম – গুরুদাসপুর) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ আব্দুল কাদের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নাটোর ৪ বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুর এর উন্নয়নের গতিতোরান্নিত করতে এবং জনগণের সেবক হয়ে বাবার দেখানো পথ এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে করতে চান।

মো আব্দুল কাদের ১৯৬৪ সালের ২৬শে অক্টোবর নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার চলনালী গ্রামের এক সম্ব্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তার পিতার নাম মি. এম এ বারী এম.এ বিএড এবং মায়ের নাম মোছা: রমেছা খাতুন। এম .এ বারী স্যার ব্রিটিশ ভারতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীনে সর্বশেষ ম্যাট্রিকুলেশন (১৯৪৭ সালে ) পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ন হোন ১৯৪৭ সাল থেকেই চাঁচকৈড় নাজিমউদ্দিন হাই ইংলিশ স্কুলের ইংলিশ শিক্ষক হিসাবে ।

মি.এম এ বারী দীর্ঘকাল বিচারিক জুরী বোর্ডের সদস্য ছিলেন ।তিনি ভাষা আন্দোলনে স্বক্রিয় ভূমিকা রাখেন । এবং আওয়ামী মুসলিমলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও দ্বিতীয় সভাপতি (১৯৫৬-৬৭ ) মাওলানা আব্দুর রশিদ খান তর্কবাগিশ আমার পিতার সাথে কার্যকরী সংযোগ রক্ষা করতেন ।১৯৭০ সালের নির্বাচন প্রচারনায় বঙ্গঁবন্ধু আমাদের বাড়ীতে আমার পিতাকে একটি ছাতা উপহার দেন ।

তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অন্যতম সারথী এবং নাটোর জেলা আওয়ামীলীগের প্রান প্রতিষ্ঠাতা তিনি বড়াইগ্রামের ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন। তিনি ২০টির উপরে স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন, জমি দান করেছেন উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে।

মো আব্দুল কাদের চাচকৈড় প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা সমাপন করেন । ১৯৭৯ সালে গুরুদাসপুর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হোন । এর মাঝে ছিল ৩০ মে ১৯৭৭ সালে কুখ্যাত জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ না ভোটের বিপরীতে অংশগ্রহন করেন ও না কে জয়যুক্ত করেন ।তারজন্য সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে উনাদের কে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় । ১৯৭৯ সালে আওয়ামীলীগের প্রার্থীর জন্য রাতদিন পরিশ্রম করেন। এসব কারণে বাবার অনেক ইচ্ছায় পূরন করতে পারেন নি।

১৯৮১ সালে রাজশাহী নিউ গভ: ডিগ্রী কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেন ।

মো. আব্দুল কাদের ১৯৮২-৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রানরসায়ন বিভাগে ভর্তি হোন। এ সময়ে তিনি বাংলাদেশ টেলিভশন ও বেতারের অনক অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ গ্রহন করেন ।

১৯৮২ -৮৩ সাল পর্যন্ত তিনি বিটিভির জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ” যদি কিছু মনে না করেন ” অনুষ্ঠানে অংশ করে নাটোর কে বিপুল ভাবে পরিচিতি দান করেন !

মরহুম ফজলে লোহানী চিৎকার দিয়ে বলতেন “এখানে আব্দুল কাদের তিনি নাটোর থেকে এসেছেন এবং সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে এগিয়ে আছেন “।

তিনি সে সময়ে নিয়মিত কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অংশ গ্রহন করেন ।

এরপর ১৯৮৮ সনে তিনি ম.হামিদ প্রযোজিত ও পরিচালিত উন্মেষ (বিটিভির ক্যাম্পাস ভিত্তিক অনুষ্টানে ) শিক্ষা অঙ্গনের রিসার্চ ( গবেষনার নির্যাস তুলে ধরতেন ।

স্বৈরাচার এরশাদের কারনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৮৫ সনের বি.এস.সি. অনার্স প্রান রাসায়ন ১৯৮৯ সনে সম্পন্ন করেন। ১৯৯১ সালের প্রান রাসায়ন ও অনুপ্রান বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাশ করেন ।

এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ে মাস্টারস করেন ( BIGM ) Acdemy for Planning and Development থেকে ডিপ্লোমা অর্জন করেন । BIM থেকে মানব সম্পদ ব্যবস্হাপনা বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন । মো: আব্দুল কাদের কর্ম/ পেশার কারনে পৃথিবীর অনেক দেশ ভ্রমন করেন । মালয়েশিয়া , থাইল্যান্ড , ভারত বর্ষ, চীন , ইউরোপের অনেক দেশ পরিভ্রমণ করেন ।

আব্দুল কাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে স্বাধীনতা আন্দেলনের সূতিকাগার ফজলুল হলের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে আত্বনিবেশ করেন করেন।১৯৮৮ সালে ডাকসু নির্বাচনে সংগ্রাম পরিষদের সুলতান মানসুর ও মোস্তাকের পক্ষে সার্বক্ষনিক কর্ম কান্ডে নিয়োজিত থাকেন ।বাংলাদেশ টেলিভিশনের celebrity ইমেজ সাংগঠনিক জীবনে কাজে লাগান তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গুরুদাসপুর নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে প্রায় ৩০ বছর যাবত দায়িত্ব পালন করছেন ।

মো আব্দুল কাদের তৃণমূল রাজনীতিতে একজন মহৎ হৃদয়ের সফল মানুষ হিসেবে সুপরিচিত মুখ। মূলত: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও নিজ পিতার রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আব্দুল কাদের ছাত্র জীবনেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।

২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থির স্বপক্ষে সার্বক্ষনিক প্রচারনায় ব্যাপক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ছিলেন ও দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ আলীর পক্ষে ভোট বর্জন করেন।

তথাপি তিনি দুটি কেন্দে প্রথম হোন ।রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতি মো আব্দুল কাদের এর রয়েছে বিশেষ সম্পৃক্ততা। অবসরে একটু সময় পেলেই তিনি বই পড়া গান শোনায় আর কবিতা আবৃত্তি চর্চায় নিজেকে মনোনিবেশ করেন। তিনি বই পড়ায় সকল কে উত্সাহিত করেন ও প্রচুর বই উপহার দেন । কথা বা কাজের মাধ্যমে অতি সহজেই তিনি মানুষের হৃদয় জয় করতে পারেন। এটি তার একটি বিশেষ গুণ।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে দেশকে আরো উন্নত করার সংকল্পে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি স্বাধীনতার স্বপক্ষের ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তৃণমূলে বিপুল কর্মীবাহিনী তার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি।

বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল inclusive development. যা আজ বন্ধু প্রতিম ভারতের উন্নয়নের মূল মনমন্ত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর মোদি বলেন “সব কা সাথ সব কা বিকাশ “ যা জাতির জনক সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বলেছিলেন আজ থেকে পন্চাশ বছর আগে !

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ