মোঃ আশরাফুজজামান, গোপালগঞ্জ :
গোপালগঞ্জ টুঙ্গীপাড়া গহরডাঙ্গা গ্রামের মাহমুদ ও ইমামের নেতৃত্বে মাহফুজুর রহমানের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নাজনীন আক্তার বলেন আমার স্বামী মাহফুজুর রহমান ঢাকায় চাকরি করেন। আমি আমার বাচ্চাদের নিয়ে আমার নিজ বসত ভিটার বাড়িতে থাকি। মাহমুদ ও ইমামের নেতৃত্বে বেশ কিছু লোকজন রাতের বেলায় আমার বাড়ি ভাঙচুর করে ও লুটপাট করে ঘরে থাকা নগদ তিন লক্ষ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার সহ বাড়ির বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর ও লুটতরাজ করে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, আমার স্বামীরা আপন এক মায়ের পেটে চার ভাই দুই বোন। বড় ভাই ইমাম মাহমুদুর রহমানের কাছে তাহার বসত ভিটার জায়গা সম্পূর্ণ বিক্রয় করে দেয়। প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে বিক্রয় করে তাহার শ্বশুরবাড়ি এলাকায় ঘরের মালামাল নিয়ে চলে যায় এবং সেখানেই বসবাস করেন।
নাজনীন আক্তার আরও বলেন, আমার স্বামী বাড়িতে না থাকার কারণে ইমাম মানুষের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে আমাকেও আমার স্বামীকে হুমকি দেয়। বিভিন্নভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে । আমারও আমার স্বামীর আত্মমর্যাদা ও সম্মান হানি করে। যে সকল অনলাইন মিডিয়া ও প্রিন্ট মিডিয়া মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছেন আমি তাহাদের সকলের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি প্রশাসনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সুস্থ তদন্ত করে আইনের সহায়তা পেতে পারি সুব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
তিনি জানান, তার উপর বিভিন্ন নির্যাতন সহ জমিজমা সংক্রান্ত যাতে সুস্থ বিচার পেতে পারি তাহার জন্য ইউএনও অফিসে অভিযোগ দায়ের হয়। ইউএনও মহোদয়, স্থানীয় মুরব্বিদের উপর মিট মীমাংসা দায়িত্ব প্রদান করেন।
মুরব্বিদের প্রতিনিধির মধ্যে একজন বলেন, দুই পক্ষের অনুমতিতে আমরা সালিশ করি, সালিশিতে আমরা সিদ্ধান্ত করি যে, বাড়ির মাঝ বরাবর সকলের চলা চলতি জন্য একটি রাস্তা নকশা নির্মাণ করি, রাস্তার পশ্চিম পাশের দক্ষিণ কোনায় মাহমুদুর রহমানকে তাহার নিজ ঘরের পাশ দিয়ে তাহার ক্রয় ও পৈতৃক সূত্রের সম্পদ এক জায়গায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পশ্চিম পাশের উত্তর কোনায় মামুন বিশ্বাসকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পূর্ব পাশে দক্ষিণ কোনায় মাহফুজুর রহমানের ঘরের পাশ দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এবং পূর্ব পাশের উত্তর কোনায় বোনদের ও কবরস্থানের জন্য সম্পদ বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
নাজনীন আক্তার স্থানীয় মুরুব্বীদের বিচার আমি মেনে নেন কিন্তু মাহমুদুর রহমান ও তার স্ত্রী জলি বেগম মুরুব্বীদের সালিশি না মেনে গ্যাঞ্জামের সূত্রপাত রেখে দেয়।
নাজনীন আক্তার বলেন, আমাকে বা আমার স্বামীকে তাহার পৈতৃক ভিটায় ইটের ঘর করতে বাধা প্রদান করে রেখে দেয়। এ বিষয়ে মাহামুদুল ও ইমাম এর সাথে মুঠোফনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে ফোনে পাওয়া যায়নি, আর বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।




















