বাংলাদেশ সকাল
রবিবার , ৯ জুলাই ২০২৩ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

সুনামগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কপাল পুড়ছে চার উপজেলার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৯, ২০২৩ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি॥ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের মাহারাম ও শান্তিপুর সংলগ্ন নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোল,কপাল পুড়ছে চার উপজেলা, বালু খেকোরা সরকারের ইজারার বাহিরে গিয়ে রাতের অন্ধকারে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে, অনেকদিন যাবত ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করতেছে একটি প্রতাপশালী চক্র।

এখন পর্যন্ত উপর মহল থেকে বালুখোরদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আসেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একশ্রমিক জানান, আমতৈল, মাটিকাটা, হাঁপানিয়া, বিন্নারবন্দ ও লেদারবন্দ গ্রামে উত্তর পাশের হাওর দিয়ে প্রতি রাতে ছোট ছোট স্টিলের শতাধিক নৌকা দিয়ে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ডাম্পের বাজার সংলগ্ন পাটনাই নদীতে বড়,বড়, বলগেট নৌকা লুট করে দেশের বিভিন্ন এলাকাতে যাচ্ছে।

ওই নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগরসহ ঐ চারটি উপজেলার ভাটি অঞ্চলের ছোট বড় ২৩ টি হাওর চৈত্র মাসেই আগাম পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাবে। মাহারাম নদীতে এক সময় বর্ষাকালে প্রবল স্রোত হতো।

১৯৮৮ সালের পূর্বে চৈত্র-বৈশাখ মাসে নদীতে পানি এলে অকাল বন্যায় উপজেলার মাটিয়ান, সমসাসহ ভাটি অঞ্চলের ছোট-বড় ২৩টি হাওর পানিতে তলিয়ে যেতো।

তখন স্থানীয়দের সহযোগিতা ও উপজেলা পরিষদ থেকে অকাল বন্যার হাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য মাহারাম নদীতে বেড়িবাঁধ দেয়া হতো।

একপর্যায়ে ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় পাহাড় থেকে নেমে আসা বালু ও নুড়িপাথরে স্তূপে মাহারাম নদীটি প্রাকৃতিক ভাবে ভরাট হওয়ায় উজান থেকে পানি এসে হাওর তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি পাল্টে যায়।

প্রাকৃতিক ভাবে বালু বাঁধ সৃষ্টি হওয়ায় বিগত ৩৩ বছর ধরে মাহারাম নদীতে সরকারি খরচে আর বেড়িবাঁধ দিতে হচ্ছে না।

আরও জানা যায়, ভারতের মেঘালয় থেকে আসা সীমান্ত নদী জাদুকাটার পশাকা মাহারাম নদীতে এসে মিসেছে।

নদীতে বালু উত্তোলন যদি অব্যাহত থাকে চারটি উপজেলার ভাটি অঞ্চলের চৈত্র মাসেই ভারত থেকে নেমে আসা, জাদুকাটা নদীর আগাম পাহাড়ি ঢলের পানি ওই নদীতে এসে তলিয়ে যাবে ভাটি অঞ্চলের বোরো ফসল।

নদীতে বালু উত্তোলন হলে নদীর গভীরতা বেড়ে যাবে এবং নিঃস্ব হয়ে যাবে ভাটি অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ কৃষক।

এসব ছোট ছোট ইঞ্জিন চালিত স্টীলবডি নৌকার শব্দ দূষণে মাহারম থেকে ডাম্পের বাজার পর্যন্ত এসব এলাকার আশপাশের লোকজন রাতে ঘুমাতে পারছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূপ্রভাত চাকমা বলেন, বালি উত্তোলনের নেয়ার সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের সহযোগিতায় মাহারাম নদীতে অভিযান চলছে। এ অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

আবারও মানুষের সেবা করার জন্য নৌকায় ভোট চাইলেন আফিল উদ্দিন

কবি জহহরাত আরার উপন্যাস “গদমাদার” ও তার আত্মজীবনি 

মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো শিশু সাবিব

দুস্থ ও অসহায়দের মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের আর্থিক সহায়তা প্রদান 

চীন থেকে কেনা হচ্ছে ১৬টি জে-টেন সি

আপনার শিশুকে টিকা দিন স্লোগানকে সামনে রেখে গাংনীতে টিকাদান ক্যাম্পেইন

গুরুদাসপুরে টিসিবির পণ্যে ওজন কম দেওয়ার অভিযোগ 

শেরপুরে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার ও সমাজ সেবক আবু বকরের ১৮’তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

গঙ্গাচড়া উপজেলার প্রয়াত সাংবাদিকদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও হত্যা মামলায় শেরপুরে ৪ আসামি গ্রেফতার