স্টাফ রিপোর্টার, যশোর :
যশোরে নৃশংসভাবে দুই চোখ উপড়ে পালিয়ে যাওয়া সেই যুবককে ৫ ঘন্টার ব্যবধানে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। কি কারণে চোখ উঠিয়ে নিয়েছে সে বিষয়টিও স্বীকার করেছেন আটক সাদ্দাম হোসেন।
আটকের পর তিনি জানান, তার প্রথম স্ত্রী প্রিয়া খাতুনের সাথে খালুর অনৈতিক সম্পর্ক ছিলো। তার জেরেই খালুর চোখ উপড়ে ফেলেছেন তিনি। শুক্রবার বেলা ১২ টায় আটকের পর ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নুর-ই-আলম সিদ্দিকি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভিকটিম শহিদুল ইসলাম, আসামি মোঃ সাদ্দাম এর সম্পর্কে আপন খালু। আসামী দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ করতে থাকে যে তার ১ম স্ত্রী প্রিয়া খাতুনের সাথে তার খালু ভিকটিম শহিদুল ইসলামের শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তার খালু তাকে মাঝে মাঝেই বলে তার উপর জীনের ভর রয়েছে। আর সেই জীনের মাধ্যমে ভর করে ভিকটিম শহিদুল ইসলাম আসামি মোঃ সাদ্দাম এর স্ত্রীর সাথে শারীরকি সম্পর্ক করে।
এই সমস্ত কথাবার্তা শোনার পর আসামি মোঃ সাদ্দাম উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং তার খালু ভিকটিম শহিদুল ইসলাম যেন চোখ দিয়ে তার স্ত্রী প্রিয়া খাতুনের দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকিয়েছে সেই চোখ উঠিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধার পর বকচর করিম পাম্প এলাকায় সাদ্দাম তার খালু শহিদুলকে চোখ উপড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পাঁচ ঘন্টার মধ্যে ডিবি পুলিশ পালবাড়ি খয়েরতলা এলাকা থেকে সাদ্দামকে আটক করে।
শহিদুল ও সাদ্দাম দুইজনেই বকচর বিহারী কলোনীর বাসিন্দা। ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নুর-ই-আলম সিদ্দিকি জানান, ঘটনার পরপরই কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ডিবি পুলিশের তিনটি দল অভিযানে নামে।
আটক সাদ্দাম হোসেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার অপরাধ স্বীকার করেছে। সে জানিয়েছে, ভিকটিম শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রাক্তন স্ত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক ছিল । সেই আক্রোশ থেকেই সে এই নৃশংস হামলা চালায়।’ পুলিশ সুপার আরও জানান, এ ঘটনায় একটি আইনীব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




















