আনিছুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার : চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে পরিবেশ আইন অমান্য করে দিন কিংবা রাত ২৪ ঘন্টায় চলে পাহাড়ি গাছ মাটি কাটা। সঙ্ঘবদ্ধ মাটি বালি খেকোদের হাত থেকে কোনভাবেই রক্ষা পাচ্ছে-না পানি চলা চলের ছড়ার বালি। ধবংস করছে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্তত ৫শ কৃষক পরিবারের ৩শ একর নাল কৃষি ফসল উৎপন্ন জমি ১শ একর পাহাড়ি বন অঞ্চল।
এসব গাছ মাটি বালি অনত্রে পাচার করার জন্য ব্যাবহার করে থাকেন তাদেরই বিশ্বস্ত ডেম্ফার ট্রাক ড্রাইভার। সরজমিন ঘুরে দেখা যায় বৈলছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের বাড়ির পৃর্ব পাশে পাহাড়ি অঞ্চলের ছোটমিঠা,চারাপিরার মুখ,নাদেইর্গ্গা মুখ নামক স্হানে পানির ছড়া থেকে উত্তলনকৃত বালু গুলো বিক্রির জন্য স্তুপ করে রাখার দৃশ্য। স্হানীয়দের সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনই কোন না কোন স্থান থেকে পাহাড়ি মাটি কেটে বিক্রি করা হয় ফসলি নাল জমি ভরাটকারীদের কাছে।
পাহাড়ের এসব মাটি কাটার কারণে একদিকে পাহাড় যেমন হারাচ্ছে তার নিজস্ব সৌন্দর্য তেমনি অন্যদিকে পরিবেশ হচ্ছে ভারসাম্যহীন। পরিবেশের সৌন্দর্যের পাশাপাশি যেই গাছ আমাদের অক্সিজেন ফল মূল ছায়া দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে সেই পাহাড়ি গাছ কেটে ব্রিকফিল্ডে বিক্রি করেন থাকেন বন খেকোরা। সংঘবদ্ধ দলের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না পানি চলাচলের ছড়ার বালিও।
স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, পানি চলাচলের ছড়ার বালু উত্তোলনের কারণে ছড়ার দুইপাশে থাকা কৃষি ফসল উৎপন্ন ৫শ পরিবারের ৩শ একর নাল জমি ও ১শ একর বনাঞ্চলের পাহাড় ভেঙ্গে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ছড়ার মধ্যে।সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে গ্রামীন যে সড়কগুলো উন্নত আধুনিকায়ন করেছেন।সেসব সড়কগুলো দিয়ে মাটি খেখোরা অদক্ষ বেপরোয়া ডেম্ফার চালকদের যাতায়াত করার ফলে সড়কের দুই পাশ ভেঙ্গে ক্ষত ও গর্ত সৃষ্টি করে চলেছেন সড়কগুলোর মধ্যে খানে সৃষ্ট গর্তের কারণে অতি কিংবা মাঝারি বৃষ্টিতে অটোরিক্সা সিএনজি এবং জনসাধারণ চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন উক্ত সংঘবদ্ধ দলের মাটি গাছ বালি খেখোদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে জেল জরিমানা করে থাকলেও পুনরায় জেল থেকে বের হয়ে জড়িয়ে পড়েন এসব অনিয়ম কাজে। এদের কঠোর হস্তে দমন করতে উপজেলা প্রশাসন মাসিক আইনশৃংখলা সভায় ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্দেশনা দিলে ও বাস্তবে প্রতিকার স্বরূপ কিছুই দেখা যায়নি। ফলে বেপরোয়া হয়ে দিন কিংবা রাত যেকোনো সময় অবাদে উত্তোলন করেন ছড়ার বালি। কেটে যাচ্ছেন পাহাড়ের গাছ ও মাটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকেই বলেন সঙ্ঘবদ্ধ এই সকল বন উজাড়কারি মাটি ও বালি খেখোরা স্থানীয় প্রভাব বিস্তার করে সাধারন জনগণকে জিম্মি করে ৫শ কৃষি পরিবার ও বন অঞ্চল পরিবেশের ক্ষতি করেই যাচ্ছে।
প্রতিকার পেতে কেউ কোথাও অভিযোগ প্রদান করলে দেওয়া হয় ঘুম খুন হত্যার হুমকি। এই বিষয়ে জানতে উপজেলা ভূমি ও কতৃর্পক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে মোবাইল কলের সংযোগ পাওয়া যাইনি। কৃষক ও কৃষি নাল জমি, পরিবেশ বন রক্ষায় অপরাধীদে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য কতৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন অত্র এলাকার স্হানীয় সচেতন মহল উপজেলা মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




















