বাংলাদেশ সকাল
শনিবার , ২ নভেম্বর ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের মাতৃত্বকালীন ছুটির বেতন ফেরত নেওয়া কান্ডে তুলকালাম বদলগাছি

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
নভেম্বর ২, ২০২৪ ৫:১১ অপরাহ্ণ

 

বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা( ইংরেজি) শারমিন আক্তারের মাতৃত্বকালীন ছুটির সময়ের প্রাপ্ত বেতন-ভাতার টাকা ফেরত নিয়েছেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন। ফেরত নেওয়া টাকা দেড় বছর পার হলেও ব্যাংকে জমা দেওয়ার রশিদ দেননি ঐ শিক্ষিকাকে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও শিক্ষিকা ২৯ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষিকা তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ পেয়ে ওই মাদ্রাসায় ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন। সেই বছরের ১ মার্চ থেকে এমপিওভুক্ত হন। যোগদানকালীন তিনি সন্তানসম্ভবা ছিলেন বলে ঐ বছরের ৮ ফেরুয়ারি থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন।অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল জানান আমার মাতৃত্বকালীন ছুটি গ্রহণ অবৈধ বিধায় আমার ৬ মাসের গৃহীত বেতন-ভাতা ফেরত দিতে বলেন। এবং তিনি আমার বাড়িতে গিয়ে ১ লাখ ৪ হাজার টাকা গ্রহন করেন । আমি নিজে সেই টাকা ফেরত দিতে চাইলে তিনি জানান টাকাটি অধ্যক্ষ মারফতই ফেরত দিতে হয়। তিনি আরও বলেন আমি মাদ্রাসার প্রভাষক মো. রেজাউল করিমের সামনে তাকে টাকা হস্তান্তর করিয়াছি। টাকা ফেরত প্রদানের চালানের কপি চাইলে তিনি এখনও পর্যন্ত আমাকে দেন নাই। বরং তিনি বলেন আরও ৬ মাস সময় লাগবে ।

শিক্ষিকা শারমিন আক্তার বলেন, বহুবার আমি জমার রশিদটি চাওয়ার পরও দেননি। বাধ্য হয়ে আমি অভিযোগ করেছি। অধিদপ্তর থেকে সাত দিনের মধ্যে রশিদটি দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিলে। আজ প্রর্যন্ত আমাকে রশিদটি দেন নাই মর্মে আবার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে পুনরায় অভিযোগ করেছি। আমি আমার টাকা ফেরত চাই,ও ন্যায় বিচার চাই।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, ছুটিটি বিধি মতাবেক না হওয়ায় টাকা ফেরত নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমি ব্যাংকে জমা দিয়েছি। জমার ব্যাংক রশিদ মাদ্রাসায় আমার ব্যক্তিগত ড্রয়ারে আছে। তিনি আরও বলেন স্থানীয় লোকজন ও কিছু শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে মাদ্রাসায় যেতে দিচ্ছে না। সে কারণে আমি রশিদটি শিক্ষিকাকে দিতে পারছিনা। দু-একদিনের মধ্যে মাদ্রাসায় গিয়ে রশিদটি অভিযোগকারী শিক্ষিকাকে দেব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান বলেন, উনার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ অধিদপ্তরে আছে। আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে, সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয় টি এলাকায় তোলপাড় চলছে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বড়াইগ্রামে গ্রামীণ সড়কের সাতটি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

দেশে একদিন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও শীত বস্ত্র নেওয়ার মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না : আ’লীগ নেতা আমিন

বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি

রাণীশংকৈলে অটোরিকশাকে বাঁচাতে যেয়ে ট্রাক্টর উল্টে ড্রাইভার নিহত

কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড উত্তরের জনপদ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে জামায়াত

আত্রাইয়ে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষে ৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষনের সমাপনী

আনোয়ারায় বিধবার জমি দখল নিতে সন্ত্রাসী হামলা; মা-মেয়ে জখম

কুতুবপুর ইউনিয়ের সাবেক মেম্বার গাঁজা সহ আটক

তালতলীতে শ্লীলতাহানির ঘটনায় ৬ মাসের কারাদন্ড

পাবনার কাশীনাথপুরে এক হাজার পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১