বাংলাদেশ সকাল
মঙ্গলবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৫ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ভুল আগাছানাশক ঔষুধে কৃষকের ৩০০ বিঘা জমির রসুন পুড়ে নষ্ট

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারি ৭, ২০২৫ ১:০২ পূর্বাহ্ণ

 

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রামে কীটনাশক ও বালাইনাশক বিক্রেতার ভুল ঔষুধ প্রদানে কৃষকের ৩০০ বিঘা জমির সাদা সোনা খ্যাত রসুন পুড়ে নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়াইগ্রাম উপজেলার কৃষি অধিদপ্তরের আওতাধীন বাগডোব ও রয়না ব্লকে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর প্রায় সবগুলো রসুন গাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ক্ষতিপূরণের জন্য আহাজারি করছে। তাদের অভিযোগ রসুনের জমিতে আগাছা জন্মালে তারা বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের লেউতি মোড়ের মিন্টুর সারের দোকানে যায়। মিন্টুর কাছে আগাছা দমনের জন্য ঔষধ চাইলে মিন্টু লাইসেন্সবিহীন এম এস এগ্রো কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের অর্কিড-৭০ ডাব্লিউ জি নামের একটি আগাছা নাশক ওষধ দেন এবং বলেন এটি প্রয়োগে আগাছা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে ও রসুনের কোন ক্ষতি হবে না। কৃষকরা বিশ্বাস করে উক্ত ঔষধ তাদের জমিতে স্প্রে করলে সমস্ত রসুনের গাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

অভিযুক্ত মিন্টু খাকসা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে এবং লেউতির মোড়ে মিন্টু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী। এ ব্যাপারে মিন্টুর কাছে জানতে চাইলে মিন্টু সাংবাদিকের কাছে বিক্রির কথা স্বীকার করেন। সাংবাদিক তার দোকানে সেই ঔষধ প্রত্যক্ষ করেন । অভিযুক্ত মিন্টু বলেন এই আগাছা নাশক আমি থানার মোড়ের আকরামের দোকান থেকে পাইকারি কিনে এনেছি।

ওষুধটির গুণাগুণ সম্পর্কে না জেনে আপনি বিক্রি করলেন কেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মিন্টু সাংবাদিকের উপরে চড়াও হন এবং এলাকার কিছু নেতাকর্মীকে ডেকে এনে সাংবাদিকের উপরে আক্রমণ করেন । তবে মিন্টু বলেছেন ৩০০ বিঘা হবে না দেড় দুইশো বিঘার মত হবে। এ সময় তার দোকানের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দাবি সহ বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

সাংবাদিকের সাথে কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের কথা হয়। তারা জানান আমরা গরীব মানুষ ধার দেনা করে জমি লিজ নিয়ে রসুনের চাষ করেছি। আশা করেছিলাম রসুন বিক্রি করে ধার দেনা শোধ করব। কিন্তু মিন্টুর দেওয়া ঔষধের কারণে আমাদের রসুন পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা পথে বসে গেছে। এখন যদি আমরা ক্ষতিপূরণ না পাই মরণ ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। আমরা এর যথাযথ ক্ষতিপূরণ চাই এবং কর্তৃপক্ষের নিকট মিন্টুর শাস্তি দাবী করছি।

এ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরে কয়েকদিন গিয়েও কৃষি অফিসার কে পাওয়া যায়নি। পরে উক্ত ব্লকের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি অফিসার হযরত আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি কৃষি অফিসারের অনুমতি ছাড়া মোবাইলে কথা বলতে অ স্বীকৃতি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসকে জানালে সে এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

জেলেনস্কির ওপর নাখোশ হোয়াইট হাউজ 

দাবি এখন একটাই শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাই- লালমনিরহাটে মীর্জা ফখরুল

মেহেরপুর আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ

মেরীগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণী ছাত্রীকে আটকে রাখার দায়ে বখাটে লিটন আটক

বদলগাছীতে রবি প্রনদোনা কর্মসুচির আওতায় ১২৫০ হেক্টর জমি সরিষা চাষে সফলতা 

শেরপুরে কোটা আন্দোলন কারীদের স্মরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শীতলক্ষ্যা নদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান; ৪ নৌযানকে অর্থদণ্ড সহ মামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে বাংলাদেশের ৫৪তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

আন্ত:জেলা সিএনজি চোর চক্রের মূল হোতা ‘শ্যামল’কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪

নাটোরে খড় বোঝাই নসিমনে পেট্রোল বোমা