ডেস্ক নিউজ: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৮ আসনে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী আহসান হাবীব কাজল উত্তরা, দক্ষিণখান ও উত্তরখান নিয়ে গঠিত রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে তিনি লড়ছেন। সাধারণ ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচনে বড় চমক দেখাতে পারেন তারুণ্যনির্ভর এই প্রার্থী।
জনগণের প্রার্থী আহসান হাবীব, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সেবক হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আহসান হাবীব। তার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রাধান্য পেয়েছে আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং যুব সমাজের উন্নয়ন।
বিশেষ করে উত্তরা ও দক্ষিণখান এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা—জলাবদ্ধতা ও বেহাল রাস্তাঘাট সংস্কারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তাকে ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
নির্বাচনী ইশতেহারে বড় প্রতিশ্রুতি আহসান হাবীব কাজল তার ইশতেহারে ১ নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবে রেখেছেন ঢাকা-১৮ আসনে পূর্ণাঙ্গ সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি বলেন, “চিকিৎসা সেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। অথচ এই এলাকার লাখ লাখ মানুষকে জরুরি চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে হয়। নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে একটি আধুনিক সরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলা।”
এছাড়াও তার ইশতেহারে রয়েছে:
শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার। নারীদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা ও উদ্যোক্তা ঋণ সহায়তা।
মাঠের চিত্র ও জনসমর্থন সরেজমিনে ঢাকা১৮ আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় আহসান হাবীব কাজল কে নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।
বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা তাকে ‘ক্লিন ইমেজের প্রার্থী’ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। স্থানীয় এক ভোটার বলেন, “আমরা এবার মার্কা দেখে নয়, ব্যক্তি দেখে ভোট দেব। আহসান হাবীব ভাই আমাদের সুখ-দুঃখের সাথী। তাকেই আমরা সংসদে দেখতে চাই।”
ডিজিটাল প্রচারণায় এগিয়ে অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় ডিজিটাল প্রচারণায় বেশ এগিয়ে রয়েছেন। তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.ahsanhabibkajal.info ও সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থেকে নিয়মিত নির্বাচনী আপডেট ও ইশতেহার প্রচার করা হচ্ছে, যা নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। দুর্নীতিমুক্ত, স্মার্ট ও নিরাপদ ঢাকা১৮ গড়ার লক্ষে আহসান হাবীব কাজল যে জাগরণ সৃষ্টি করেছেন, তা ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার এই জনপ্রিয়তা মূল ধারার দলগুলোর জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।




















