বাংলাদেশ সকাল
শনিবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৪ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণা : আ স ম রব

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ১৯, ২০২৪ ৩:৫৭ অপরাহ্ণ

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ: ঐতিহাসিক ৭ মার্চের তাৎপর্য ও মহিমাকে কোনো অজুহাতে খর্ব না করার আহ্বান জানিয়ে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক ও জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বাপসনিউজসহ গণমাধ্যমে নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেন ।

স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ছিলো স্বাধীনতার ‘বীজমন্ত্র’ এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা। ১১০০ বছরের পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে বাঙালির কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক মহৎ অধ্যায় হচ্ছে ৭ মার্চ। ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’— চূড়ান্ত লড়াইয়ের এই নির্দেশনায় অকুতোভয় বাঙালি এবং সর্বস্তরের মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামে।

বাঙালির হাজার বছরের দুঃখ-বেদনা, বঞ্চনা এবং ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে দূরে রাখার ইতিহাসকে ধারণ ক’রে, এই ভূখন্ডের জনগোষ্ঠীর মনের গভীরে স্বাধীনতা অর্জনের সামগ্রিক আকাঙ্খাকে তুলে ধ’রে গণমানুষের অভিপ্রায়ের চরম অভিব্যক্তি প্রকাশ পায় ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে। যা সমগ্র জনগোষ্ঠীকে তার মর্মমূলসমেত গভীরভাবে আবেগকম্পিত, উদ্দীপ্ত এবং জাগ্রত ক’রে তুলেছিলো। এই ভাষণের সাথে স্বাধীনরাষ্ট্র নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী সিরাজুল আলম খান-সহ অন্যান্যরা সম্পৃক্ত ছিলেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালির জাতীয় জীবনের একটি অবিস্মরণীয় দিন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের আপসহীন নেতা।

‘৭১-এর ২ মার্চ ‘স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন’, ৩ মার্চ ‘ ইশতেহার পাঠ’ ৭ মার্চ-এর ভাষণ এবং সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন ‘স্বাধীনতা’— একই সূত্রে গাঁথা। সুতরাং, স্বাধীনতার পরবর্তীতে গণআকাঙ্ক্ষা বিরোধী শাসনক্ষমতা বা অপকর্মের দায়-দায়িত্বের নিরিখে স্বাধীনতা অর্জনের লড়াইয়ের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং অসামান্য বীরত্বকে অস্বীকার করা হবে—সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামের অন্তর্নিহিত সত্যকে আড়াল করা।

অতএব, ৭ মার্চের গুরুত্ব, তাৎপর্য এবং ঐতিহাসিকতাকে অনুধাবন করার সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতা হবে আত্মঘাতী। এ ধরনের অদূর ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত এবং অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম সংগ্রামী জনগণ মেনে নেবে না। রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মৌলিক করণীয় উপেক্ষা ক’রে, সরকার নতুন-নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শক্তির মাঝে বিভেদ তৈরী করবে।

আমি আশা করব, জুলাই গণহত্যার মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বর্তমান প্রজন্মের সাথে পূর্ব প্রজন্মের অসম সাহসী বীরদের মহৎকীর্তিকে স্বীকৃতি দিয়েই নতুন প্রজাতন্ত্র নির্মাণ করতে হবে।

‘৭১ সালের ঐতিহাসিক ২রা মার্চ,৩রা মার্চ ও ৭ই মার্চের মর্যাদা সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ২১ অক্টোবর,সোমবার,সকাল ১০টা, জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ।বেলা ১১টায় গণতন্ত্র মঞ্চের বিক্ষোভ সমাবেশ, পল্টন মোড়।কর্মসূচি ২টি সফল করতে সর্বস্তরের জনতার নিকট অনুরোধ জানানো হয়।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সৈয়দ আবুল হোসেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান 

ডাসারে জাতির পিতার জন্মদিন ও শিশু দিবস উদযাপন

ডিমলায় শতভাগ তামাকমুক্ত ষোষনায় সুধী সমাবেশ

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ‘বিশ্ব স্ট্রোক দিবস’ পালিত 

নওগাঁর বদলগাছীতে মহান বিজয় দিবস উদযান

শার্শায় বিদ্যুৎের টানা লাইনে প্রান গেলো কিশোরের, ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন

ঈদগাঁওতে বাউকুল চাষে ভাগ্যবদল : বাগান জুড়ে উৎসবের আমেজ 

উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

শেরপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাকির হোসেন এর ৩য় মৃত্যু বার্ষিকীর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

ময়মনসিংহে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ