ওসমান হোসাইন, কর্ণফুলী প্রতিনিধি॥ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা শিকলবাহা ইউনিয়ন দু’নং ওয়াড় বাইট্টা গোষ্ঠী এলাকায় ব্লকের পাড় নামক স্থানে ইসমত হাজির বাড়িতে বাড়ির চলাচল রাস্তার নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের আজ ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় সংঘটিত পরিকল্পিত হামলায় মা -ছেলে নিহত হন।
নিহতরা হলেন, উক্ত এলাকার মোহাম্মদ তৈয়ব আলীর স্ত্রী হোসনে আরা বেগম (৪৫) তারই সন্তান মোহাম্মদ পারভেজ(২৩) পিতা মোহাম্মদ তৈয়ব আলী সম্পর্কে তারা মা-ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী জানান মোহাম্মদ তৈয়ব আলী ও মোহাম্মদ আলী পরিবারের মাঝে রাস্তার সীমানা নিয়ে বিরোধী দীর্ঘদিনের আজ সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার দিকে এনিয়ে আবারও দুপক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায় মোহাম্মদ আলী পরিবারের লোকজন ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তৈয়ব আলী পরিবারের উপর হামলা করে।
এতে এলোপাথাড়ি আঘাতে তৈয়ব আলী স্ত্রী হোসনে আরা বেগম ও তার পুত্র সন্তান মোহাম্মদ পারভেজ গুরুতর আহত হন।
তাদেরকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।
তৈয়ব আলী পরিবারের দাবী হামলার পরিকল্পনায় নেতৃত্বে মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ ইমরান (২২) মোহাম্মদ মুসলিম (৪৫)মোহাম্মদ মহসিন (৫০)
মেহেরাজ(৩২)মনোয়ারা বেগম (৫০) ও বাইট্টা গোষ্ঠীর মৃত সৈয়দ আহমদ ছেলে মোহাম্মদ জামাল সওদাগর (৫০)এবং আনার সও: আরও বহিরাগত বাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে খুন করেছে মা -ছেলে কে বলে জানান।
এই বিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ আজাদ জানান এই বিষয়ে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে অনেক বার মিমাংসা জন্য তাদেরকে ডাকা হয় চেষ্টা করেছি এইনিয়ে মিমাংসা করতে, কিন্তু তারা স্থানীয় মিমাংসা মানতে নারাজ তাই আমরা করতে পারিনি।
যে ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক আমি চাই খুনিদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি হোক।
শিকলবাহা এক নম্বর ওয়াড়ের সদস্য ও ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বাবুল বলেন যে রাস্তা নিয়ে আজকে এতো বড় ঘটনা ঘটেছে তাহা আমার এক নম্বর ও দু নম্বর ওয়াড়ের মধ্যে মুলত বাড়ির রাস্তার চলাচল নিয়ে আমি অনেক চেষ্টা করেছি তাদের কে ইতপূর্বে এই নিয়ে ঝগড়া বিবেদ ভুলে মিমাংসা করতে। কিন্তু ঈদের পর মিমাংসা হওয়ার কথা ছিল শেষ পর্যন্ত ঈদের এই সময় মা-ছেলে কে জীবন দিতে হলো তাহা কাম্য নয় দোষীদের উপযুক্ত সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
শিকলবাহা পুলিশ ফাঁড়ি ইর্নচাজ মোহাম্মদ মোবারক হোসেন বলেন এর আগেই অনেক বার মারামারি হয়েছিল। এই নিয়ে থানায় মামলা ও আমরা দুজনকে গ্রেফতার করি তারমধ্য একজন পালাতক ছিল, আমাদের মধ্যে খবর ছিল পালাতক আসামি বাড়িতে এসেছে আমরা বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি করি কিন্তু আসামী কে পাইনি। দুঃখজনক আমরা চলে আসার পর শুনলাম মারামারি হয়েছে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওসি দুলাল মাহমুদ জানান মারামারি ঘটনা কথা শুনে আমি আমার পুলিশ ঘটানাস্থলে উপস্থিত হয়ই এখনো পর্যন্ত দু’জন নিহত হয়েছে তারা চট্টগ্রাম মেডিকেলে রয়েছে। আহত আমরা জেনেছি চারজন তারাও চিকিৎসা জন্য ভিবিন্ন হাসপাতালে রয়েছে আমরা পুরো এলাকা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে ইতিমধ্যে আমার পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, আশা করি তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হব।




















