সাবরিনা জাহান, বিশেষ প্রতিনিধি: গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন ঈশ্বড্ডা এলাকায় একটি প্লাস্টিকের কারখানায় ডাকাতির ঘটনায় দুর্ধর্ষ ৩ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩০ জুন ) গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম, বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সুত্রে জানা যায় গত ২৩ জুন ২০২৫ইং সোমবা রাত অনুমানিক আড়াই ঘটিকা হইতে রাত অনুমান পৌঁনে চার ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে গাছা থানাধীন ঈশ্বড্ডা এলাকার আপন প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের ভিতর অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন ডাকাত দলের সদস্য প্রবেশ করে ফ্যাক্টরিতে রাখা প্লাস্টিক তৈরির দানা ও বিভিন্ন মালামাল সহ ১০ লক্ষ টাকার জিনিসপত্র ডাকাতরা নিয়ে যায়।
মালামালের মধ্যে ছিল প্লাস্টিক কাঁচামাল (১১৩ ব্যাগ), ৪০টি ডাইস, আইপিএস, ব্যাটারি, স্ট্যান্ড ফ্যান, গ্রাইন্ডিং মেশিন, নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, ৫ ঘোড়ার মোটর, সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক, ডিভাইস ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।
পরে প্লাস্টিক কোম্পানির মালিক বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ মামলা সূত্রে তদন্ত শুরু করে। উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ) ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (গাছা জোন)-এর নির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) সুকান্ত কুমার পল-এর নেতৃত্বে পুলিশ দল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে গাছা থানাধীন জাঝর এলাকা থেকে ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো— হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার মাজিশাইল গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে মোঃ কাউছার মিয়া(৩৫), বর্তমানে সে গাজীপুরের গাছা থানার নতুন বাজার এলাকায় থাকে।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার চমদাখালি গ্রামের মোঃ আলাউদ্দিনের ছেলে সাব্বির হোসেন রাজিব(২৫), বর্তমানে সে গাছা থানার মুন্সি মার্কেট এলাকায় থাকতো এবং গাজীপুর সদর থানার কুমুন এলাকার নাসিরের ছেলে মোঃ শাখাওয়াত হোসেন ওরফে সৈকত (২৬)।
এ সময় তাদের দখল হতে উদ্ধার করা হয়েছে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত চাইনিজ কুড়াল, সুইচ গিয়ার, হেসকো ব্লেডসহ হাতল, সিজার, টেস্টার, সেলাই রেঞ্চ ও ৬টি ঢালি।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে গাজীপুর ও আশপাশের থানায় একাধিক ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক আইনে মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরা তিনজনই পেশাদার অপরাধী এবং একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য
এ বিষয়ে জিএমপি গাছা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন একটি প্লাস্টিকের কারখানায় ডাকাতি ঘটনায় অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ ৩ ডাকাত গ্রেফতার করা হয়। আইননুসারে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ডাকাত দলের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার করতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।




















