ডিমলা, নীলফামারী প্রতিনিধি :
ডিমলায় যৌতুক না পেয়ে গৃহবধুকে পিটিয়ে বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে পাষন্ড স্বামী ও তার পরিবার, অভিযোগ ভুক্তভোগী ইয়াছমিনের।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর ইউনিয়নের রামডাঙ্গা গ্রামের এমদাদুল হক তার কন্যা ইয়াছমিন আক্তারের বিবাহ দেয় একই ইউনিয়নের দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামের ইসলামিয়া কলেজ পাড়া এলাকায় গত ৭ বৎসর পুর্বে রশিদ আহমেদ এর পুত্র অলিউল্যাহ এর সাথে। বিবাহের পরে ইয়াছমিন আক্তার তার স্বামীর সংসার করাবস্হায় এক কন্যা সন্তানের জননী হয়। কিন্ত ইয়াছমিনের পিতার পরিবার গরীব হওয়ায় তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বিভিন্ন সময়ে ইয়াছমিন আক্তারকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতে থাকে। তারপরও ইয়াছমিন আক্তার স্বামীর ও তার পরিবারের লোকজনের সকল অত্যাচার সহ্য করে আসলেও স্বামী ও ননদরা মিলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সকালে ইয়াছমিন আক্তারকে ডাংমার করে জখম করলে ইয়াছমিন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়।
এ ঘটনার পর স্বামী অলিউল্যাহ হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতন না করার শর্তে ইয়াছমিন আক্তার কে হাসপাতাল হতে তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেই ক্ষিপ্ততার জের ধরে পুনরায় পরদিন যৌতুকের টাকার জন্য ইয়াছমিন আক্তারকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে। ঐসময় স্কুলগামী ছাত্র- ছাত্রীরা ঘটনা দেখে ইয়াছমিনকে রক্ষা করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইয়াছমিন তার পিতা- মাতার সহায়তায় ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন থেকে ডিমলা থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে বলে জানায়।




















