গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি :
দীর্ঘ তিন বছর আইনি লড়াই শেষে আদালতের রায়ে ৪নং গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহাফুজার রহমান দুলু’র শপথ গ্রহণ শেষে দায়িত্ব পাওয়ার সপ্তাহ পর এবার বড়বিল ইউনিয়নের পরাজিত প্রার্থী শামছুল হুদা একই ভাবে রায়ে জয়ী হয়ে শপথ গ্রহণ করলেন। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পর পর দুজন চেয়ারম্যান রায় পেয়ে শপথ গ্রহণ করায় জনমনে চলছে আলোচনার ঝড়। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে শপথ পাঠ করান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল।
জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বড়বিল ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৬ হাজার ২৩৫ ভোট দেখিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শহীদ চৌধুরী দ্বীপকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট শামছুল হুদা পান ৬ হাজার ১০০ ভোট। পরে ভোট কারচুপি হয়েছে এমন অভিযোগ এনে শামছুল হুদা পুনরায় ভোট গণনার জন্য রংপুর ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ আড়াই বছর পর ভোট গণনা শেষে ৪০২ ভোট বেশি পেয়ে শামছুল হুদার পক্ষে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। পরে হাইকোর্টে আপিল করেন শহীদ চৌধুরী দ্বীপ। গত ১৩ ফেব্রুয়ারী মহামান্য হাইকোর্ট রিট পিটিশন খারিজ করে এবং নিম্ন আদালতের রায় বহাল করেন এবং শপথের অনুমতি প্রদান করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার রংপুরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মো. ময়নুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে সোমবার বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিস্থাপিত চেয়ারম্যান শামছুল হুদা’র শপথ গ্রহনের তারিখ নির্ধারণ করেন।
শপথ গ্রহণ করে শামছুল হুদা বলেন, আদালতের রায়ে নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করায় আমি খুশি। বড়বিল ইউনিয়নের জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তারা তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমাকে নির্বাচিত করেছে। বিগত আওয়ামী সরকারের লোকজন তাদের প্রার্থীকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে। পরে আমি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করি। তিন বছর দুই মাস পর আজ শপথ গ্রহণ করলাম।




















