আব্দুল্লাহ আল মামুন : দেবহাটায় অর্থ আত্নসাৎ, নিয়োগ বানিজ্যে, ফাঁকিবাজ, চাঁদাবাজ দেবহাটা কলেজের সরকারী অধ্যপক ইয়াছিনের অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। এক পর্যায়ে দেবহাটা মৃত দীন আলী গাজী ছেলে (প্রভাষক দেবহাটা কলেজ) ইয়াছিন, বসন্তপুরের শহীদ, নাংলার হারুন বিশ্বাস ও শওকাত সহ আরো কয়েকজনের ইন্ধনে প্রকাশ্য দিবালোকে দেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশনে এসে গত-১১/০৮/২০২৪ তারিখ বেলা ১১:০০ ঘটিকায় মো: ইয়াছিন আলীর নেতৃত্বে (১) হারুন বিশ্বাস, পিতা- মৃত আব্দুল জব্বার বিশ্বাস (২) শওকাত আলী, পিতা মৃত কলিম গাজী, উভয় সাং নাংলা (৩) শহীদ, পিতা মহব্বত গাজী, বসন্তপুরকে সাথে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে সকল শিক্ষককে জোর পূর্বক উচ্চ স্বরে ডেকে বসায়। ইয়াছিন আলী বলেন, ২০০৭ সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের সময়ে আপনাদের দেওয়া তথ্য ও লিখিত স্বাক্ষীর কারণে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হুকুমে আমার ও আমার শ্বশুর তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিম বিরুদ্ধে মামলা হয়। এতে আমার ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়। ঐ সময়ে টাকার মান অনুসারে তা ৯০ লক্ষ হয়েছে। আমি সেখান থেকে আপনাদের ৫০ লক্ষ টাকা মাফ করে দিয়েছি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চল্লিশ লক্ষ টাকা পরিশোধ না করলে রাস্তাঘাটে লোকজন দিয়ে আপনাদের শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করা হবে”।
শিক্ষকদের মধ্যে সহকারি শিক্ষক মো: আব্দুল্লাহ অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলেন” ভাই, তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মো: লুৎফর রহমানের অধীনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ ভট্টাচায তত্বাবধানে আপনাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছিল”। আমরা কেবল মাত্র সত্য স্বাক্ষী দিয়েছি। প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে শিক্ষকদের আলোচনার পর প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে ১৪/০৮/২০২৪ তারিখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহিত সাক্ষাৎ করে তাঁর সহায়তা চায়।
“পরবর্তীতে উক্ত ইয়াছিন আলী গত ২০/০৮/২০২৪ তারিখে স্থানীয় কোড়া গ্রামের শাহনেওয়াজ সাজুকে সাথে নিয়ে পুনরায় এসে প্রকাশ্যে বলে যে, “গত দিন বলে যাওয়া ৪০ লক্ষ টাকা দিন। আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সাথে প্রতিবাদ করে টাকা না দেওয়ার বিষয়টি জানাই। তখন স্কুলের ভিতরে আমগাছের নিচে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে বলে যে, আজই টাকা না দিলে তোমাদেরকে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নিঃশেষ করা হবে জেল খাটানো ও চাকরী থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।” প্রকাশ্যে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ৪০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করলেও নিরীহ শিক্ষক কর্মচারী তাহার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস পায়নি। তিনি এবং তার শ্বশুর আব্দুর রহীম তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নামে মিথ্যা মামলা করায় প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্নসাৎ ও নিয়োগ বানিজ্যের অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। সে সময় মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি হিসেবে মামলাটি থানায় পাঠালে দরখাস্ত কারী হিসেবে আমাদেরকে বাদী হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
দেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশন এর শিক্ষকগন শিক্ষক গৌড় চন্দ্র পাল, শিক্ষক মোঃ আব্দুল্লাহ, শিক্ষক আশরাফুল হাসান, শিক্ষক ফজলুল হক শিক্ষক বিষ্ণুপদ ঘোষ, শিক্ষিকা তাসলিমা পারভীন, শিক্ষিকা রোজি সুলতানা, শিক্ষক আফসার আলী বলেন, সাথে সাথে আমরা প্রধান শিক্ষকের রুমে বিষয়টি নিয়ে বসি। তার এই হুমকীতে আমরা অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্থ অবস্থায় আছি । শ্রেণি কার্যক্রমে মনোনিবেশ করতে পারছি না।
ইতোমধ্যে স্ব ঘোষিত নেতা শিক্ষক (মো: ইয়াছিন আলী), দেবহাটা সরকারি বি বি এম পি ইনস্টিটিউশন এর শিক্ষক /শিক্ষকার নামে সাতক্ষীরা আদালতে চাঁদাবাজীর মামলা করেছেন। অতিষ্ঠ স্কুলের শিক্ষকরা।উপায় না পেয়ে,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন এবং অনুলিপি প্রায়ন করেন।




















