বাংলাদেশ সকাল
রবিবার , ১ জুন ২০২৫ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

নাটোরে ৫ শতাধিক ক্রেতা ফেরত পেল তাদের টাকা 

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১, ২০২৫ ৩:৩৯ অপরাহ্ণ

 

ইমাম হাছাইন পিন্টু, নাটোর: নাটোরের বড়াইগ্রামের জোনাইল পশু হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগে নাটোর সেনাবাহিনীর একটি টীমের অভিযানে শনিবার (৩১ মে) বিকেল ওই পশু হাটে গিয়ে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পেলে তাৎক্ষণিক অতিরিক্ত খাজনা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিলে ইজারাদাররা মাইকিং করে প্রায় ৫ শতাধিক পশু ক্রেতাার অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেন। টাকা ফেরত পেয়ে উপস্থিত সকল ক্রেতা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সেনবাহিনীর ভূঁয়সী প্রশংসা করে। অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার সময় ইজারাদাররা ভবিষ্যতে সরকার নির্ধারিত খাজনার বাইরে অতিরিক্ত খাজনা নিবে না বলে সেনাবাহিনীর কাছে প্রতিশ্রুতি দেন।

জানা যায়, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার উপজেলার জোনাইলে পশু বড় হাট বসে। হাটের জন্য নির্ধারিত দিন হিসেবে শনিবার দুপুর থেকে হাট জমতে শুরু করে। হাটে প্রতি ছাগলের খাজনা বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে ৪০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ১০০ টাকা আদায় করে। অথচ এই খাজনা সরকারী তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ছিলো ক্রেতার কাছ থেকে ছাগলের মূল্য অনুসারে ১১০ থেকে ২২০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২২-৫৫ টাকা। অপরদিকে ইজারাদাররা গরুর খাজনা বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে ৮০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা আদায় করে। যা সরকারি তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে গরুর মূল্য অনুসারে ৩৩০-৬০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৬০-১২০ টাকা।

গরু বিক্রি করতে আসা আদগ্রামের আদম আলী জানান, যে গরু ৩ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে এবং যে গরু ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে তাদের উভয়ের খাজনা একই পরিমাণ। অর্থাৎ ক্রেতা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ইজারাদাররা মোট ১০০০ টাকা আদায় করছে। একইভাবে ৪০ হাজার টাকার ছাগল ও ১০ হাজার টাকার ছাগল বিক্রিতেও একই পরিমাণ খাজনা নিচ্ছে। যা মোটেও ঠিক হচ্ছে না।

কোরবানীর জন্য ছাগল কিনতে আসা কলেজ শিক্ষক ওসমান গণি জানান, পশু হাটে খাজনা আদায়ের চার্ট খুঁজলাম। কিন্তু কোথাও পেলাম না। ইজারাদারদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, আমরা বেশী নিচ্ছি না। তাই চার্টেরও প্রয়োজন নাই। এদিকে খাজনার রশিদে পশুর দাম লিখে দিচ্ছে কিন্তু খাজনা কত নিলো তা লিখছে না।

জোনাইল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, হাটের বিষয়ে আমি কোনো মাথা ঘামাই না। যারা ইজারা পেয়েছে তারাই খাজনা আদায় করছে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত খাজনার বিষয়ে প্রশাসনের পাশাপাশি সাংবাদিকরা খেয়াল রাখছে। অতিরিক্ত খাজনা নিলে সাংবাদিকরাই প্রশাসনকে প্রমাণসহ তথ্য দিয়ে সহায়তা করে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

তালতলীর সাফিয়া হত্যা মামলার আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার 

ঝিকরগাছার শিওরদাহ পুলিশ ক্যাম্পের কনস্টেবলের কান্ড দেখে হতবাক এলাকাবাসী : বন্দুক ও গুলি জব্দ 

শোক দিবসকে ঘিরে ঈদগাঁও আ.লীগে দ্বিধা-বিভক্তি

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ মঞ্চায়ন

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শস্য বীজ উৎপাদনে মরিয়মের সাফল্য

নাটোরে ফসলি জমিতে পুকুর খনন 

বরগুনার আমতলীতে যুবলীগ সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

রামগড় ৪৩ বিজিবি কর্তৃক শীতবস্ত্র বিতরণ 

বদলগাছীতে আলোচিত দুদু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মঞ্জুর ও সুফিয়া গ্রেফতার 

মনিরামপুরের মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দুর্নীতি; যশোরে বিলাসবহুল বাড়ি