বাংলাদেশ সকাল
রবিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ফেরি করে হরেক রকম পন্য বিক্রি করেন রাজিব

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩ ৭:৪১ অপরাহ্ণ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ॥ এই মাল নিবেন, হরেক রকমের মেয়ে ও ছোট বাচ্চাদের খেলনা ও খোপার টুপি আছে। সকাল হলেই প্রতিদিন নাওয়া খাওয়া সেরে কখনো বা না খেয়েই নাটোর আব্দুলপুর থেকে ট্রেন যোগে আত্রাই আসে। আত্রাই এসে শুরু হয় বিভিন্ন স্কুল- মাদ্রাসা, বাজার গুলোতে নিজে পায়ে হেঁটে ছুটে চলেন রাজিব মিঞা। হাতের উপর একটি ডালাতে সাজিয়ে তার হাতের তৈরি করা ভ্রাম্যমান দোকানে তিন্য প্রয়োজনীয়, হরেক রকমের মেয়েদের খোঁপার টুপি ও ছোট বাচ্চাদের খেলনা ফেরি করে বিক্রি করেন তিনি, তার ভ্রাম্যমান দোকানে পাওয়া যায় ঐসব জিনিষপত্র প্রায় দশ প্রকারের জিনিস।

তিনি ঢাকা চকবাজার থেকে মেয়েদের খোঁপার টুপি, কানের দুল, ছোট বাচ্চাদের খেলনার সরমঞ্জাদি কিনে থাকেন এবং নিজে ও পরিবারের সদস্যরা তৈরি করেন।

রাজিব মিঞা জানান, বছর পাঁচেক আগে কৃষিকাজে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। এত তিনি পুষিয়ে ওঠতে না পেরে ছেড়ে দেন কৃষি শ্রমিকের কাজ। বসে না থেকে আরম্ভ করেন নতুন ব্যবসা। তার কথায় “ হরেক রকমের মেয়ে ও ছোট বাচ্চাদের খেলনা ও খোপার টুপি” তিনি বিক্রি করেন। বাড়ি পার্শ্ববতী নাটোর জেলার আব্দুল পুর উপজেলায় তার বাড়ি। দুই মেয়ে দুই ছেলে স্থানীয় সররকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। কিছুদিন কৃষি কাজের দিন মজুরের কাজ করেছি, তার বিভিন্ন তরিতরকারি বেচা –বিক্রি করি, সেখানে পুষাতে না পেরে পাঁচ বছর ধরে আত্রাই উপজেলায় বিভিন্ন হাট –বাজারে ফেরি করে বেড়াই।

তিনি আরো জানান, এ ব্যবসায় বেচাকেনা ভালোই হয়। তার অধিকাংশ ক্রেতাই গ্রামের মহিলা, যারা কেনাকাটার জন্য বাজারে যায় না তারাই তার কাছ থেকে নানা প্রকার মেয়েদের সাজনির ও বাচ্চাদের খেলনাপত্র কিনে থাকেন। অন্যন্য ব্যবসার মতো তাকেউ খরিদ্দারদের বাঁকি দিতে হয়। তবে তিনি পরিচিত খরিদ্দারদের চিনে বাঁকি দিতে হয়। যাদের লেনদেন ভালো তদেরকে বাঁকি দিতে তিনি কার্পণ্যে করেন না। তিনি আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে –স্কুল –কলেজে ফেরি করতে যান। একই গ্রামে বা একই বাজারে প্রতিদিন যান না। অন্তত এক সপ্তাহ পর পর এক স্থানে যান না। এত বিক্রি ভালো হয়। বাড়ি থেকে সকালে খাবার সঙ্গে নিয়ে যান। বেলা হলেই কোথাও একটু বসে জিরিয়ে নিয়ে দুপুরের খাবার সেরে নেন। এ ব্যবসায় তার প্রতিদিন চারশত থেকে পাঁচ শত টাকা আয় হয়। বিশেষ করে দুই ঈদ ও পূজার সময় তার বেচাকেনা সব চেয়ে বেশিহয়। তিনি জানালেন সংসারে মা-বাবা,স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে এখন তার দিন ভালোই কাটছে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাণীশংকৈলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস পালিত

পাইকগাছায় ১৪ মামলার আসামী গ্রেফতার 

নৌকা প্রতীকে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী  

রিসোর্টের ফার্নিচার ক্রয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিত লক্ষ লক্ষ টাকা

ঋণ না পেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যার সংবাদ প্রকাশ; আমতলীতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি

রাজধানীর ‘কথা এন্টারপ্রাইজ প্রেস’ মেসে জোড়া খুন; সিনেমার গল্প যেখানে হার মানে

রাণীশংকৈল-পীরগঞ্জ সড়কে প্রাণ গেলো ২ শ্রমিকের 

উখিয়া দোছড়ি বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামানকে ডাম্পার চাপা দিয়ে হত্যা

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা কবে হবে !

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী স্থগিত করে ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপি’র বন্যার্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহ ও দোয়া মাহফিল