বাংলাদেশ সকাল
মঙ্গলবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৫ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ভুল আগাছানাশক ঔষুধে কৃষকের ৩০০ বিঘা জমির রসুন পুড়ে নষ্ট

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারি ৭, ২০২৫ ১:০২ পূর্বাহ্ণ

 

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের বড়াইগ্রামে কীটনাশক ও বালাইনাশক বিক্রেতার ভুল ঔষুধ প্রদানে কৃষকের ৩০০ বিঘা জমির সাদা সোনা খ্যাত রসুন পুড়ে নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়াইগ্রাম উপজেলার কৃষি অধিদপ্তরের আওতাধীন বাগডোব ও রয়না ব্লকে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর প্রায় সবগুলো রসুন গাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ক্ষতিপূরণের জন্য আহাজারি করছে। তাদের অভিযোগ রসুনের জমিতে আগাছা জন্মালে তারা বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের লেউতি মোড়ের মিন্টুর সারের দোকানে যায়। মিন্টুর কাছে আগাছা দমনের জন্য ঔষধ চাইলে মিন্টু লাইসেন্সবিহীন এম এস এগ্রো কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের অর্কিড-৭০ ডাব্লিউ জি নামের একটি আগাছা নাশক ওষধ দেন এবং বলেন এটি প্রয়োগে আগাছা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে ও রসুনের কোন ক্ষতি হবে না। কৃষকরা বিশ্বাস করে উক্ত ঔষধ তাদের জমিতে স্প্রে করলে সমস্ত রসুনের গাছ পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

অভিযুক্ত মিন্টু খাকসা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে এবং লেউতির মোড়ে মিন্টু এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী। এ ব্যাপারে মিন্টুর কাছে জানতে চাইলে মিন্টু সাংবাদিকের কাছে বিক্রির কথা স্বীকার করেন। সাংবাদিক তার দোকানে সেই ঔষধ প্রত্যক্ষ করেন । অভিযুক্ত মিন্টু বলেন এই আগাছা নাশক আমি থানার মোড়ের আকরামের দোকান থেকে পাইকারি কিনে এনেছি।

ওষুধটির গুণাগুণ সম্পর্কে না জেনে আপনি বিক্রি করলেন কেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মিন্টু সাংবাদিকের উপরে চড়াও হন এবং এলাকার কিছু নেতাকর্মীকে ডেকে এনে সাংবাদিকের উপরে আক্রমণ করেন । তবে মিন্টু বলেছেন ৩০০ বিঘা হবে না দেড় দুইশো বিঘার মত হবে। এ সময় তার দোকানের সামনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দাবি সহ বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।

সাংবাদিকের সাথে কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের কথা হয়। তারা জানান আমরা গরীব মানুষ ধার দেনা করে জমি লিজ নিয়ে রসুনের চাষ করেছি। আশা করেছিলাম রসুন বিক্রি করে ধার দেনা শোধ করব। কিন্তু মিন্টুর দেওয়া ঔষধের কারণে আমাদের রসুন পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা পথে বসে গেছে। এখন যদি আমরা ক্ষতিপূরণ না পাই মরণ ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। আমরা এর যথাযথ ক্ষতিপূরণ চাই এবং কর্তৃপক্ষের নিকট মিন্টুর শাস্তি দাবী করছি।

এ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরে কয়েকদিন গিয়েও কৃষি অফিসার কে পাওয়া যায়নি। পরে উক্ত ব্লকের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি অফিসার হযরত আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি কৃষি অফিসারের অনুমতি ছাড়া মোবাইলে কথা বলতে অ স্বীকৃতি জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসকে জানালে সে এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবৈধ প্রবাসীদের সুবিধার্থে পাসপোর্টে নতুন সুযোগ

যশোরের রমজান হত্যা মামলার দুই আসামি আটক 

গৌরীপুরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫’তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন 

কোটচাঁদপুর মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিমের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে আনন্দ মিছিল 

২০ বছর পালিয়ে থাকার পর দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রধান আসামী গ্রেফতার 

গোপালগঞ্জে সদ্য যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

রাণীনগরে ৫ জুয়ারীসহ আটক ৮, জব্দ নৌকা

মাসিক কল্যাণ সভায় টানা তিনবার জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নির্বাচিত হয়েছেন আনোয়ার

রাণীনগর হাসপাতালে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আনন্দ টিভি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বেনাপোলে দোয়া মাহফিল