স্টাফ রিপোর্টার, নেত্রকোনা :
নেত্রকোণার আটপাড়ায় দৌলতপুর রামচন্দ্রপুর বগীর খালে বিষ প্রয়োগের ঘটনায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দৌলতপুর গ্রামের মকবুল মিয়া (৫৯), শফিক মিয়া (৪০), গাফফার মিয়া (৩৫)।
গত ২ ফেব্রুয়ারী শনিবার রাত ৪টার সময়, রামচন্দ্রপুর বগীর খালে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের ঘটনা দেখিয়ে, মোঃ শাহ্ আলম বাদী হয়ে, মোঃ মাসুদ মিয়া, মোঃ সুরুজ্জামান, মনির মিয়া ও শাহীন মিয়া কে সাক্ষী রেখে আটপাড়া থানায় একটি অভিযোগ ও মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার করেন, যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন মুকুল মিয়ার পরিবারের লোকজন ও তার প্রতিবেশীরা।
গত কাল এক সংবাদ সম্মেলনে ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, তারা সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। মকবুল মিয়া বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছাড়াই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত দোষীদের আড়াল করতেই আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।
ঘটনার অনুসন্ধানে এক সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ৩১শে জানুয়ারী রোজ শুক্রবার বিকাল ৫টা বেজে ৬মিনিটের সময় মোহনগঞ্জ শাপলা বীজ লিমিটেড নামক মোহাম্মাদ আলীর দোকানে মামলার ১নং সাক্ষী মোঃ মাসুদ মিয়ার মাথায় সবুজ রঙের গামছা বাঁধা এসে মোহাম্মাদ আলী কে বিষের একটি বোতল কেনার টাকা দিতে দেখা যায়, পরে দোকানের কর্মচারী মামলার বাদী মোঃ শাহ্ আলমের হাতে বিষের বোতলটি তুলে দিতে দেখা যায়। এর আগে থেকে দোকানে দাঁড়িয়ে থাকা মোঃ নজরুল ইসলাম তাদের জিজ্ঞেস করলেন বিষ কোথায় ফেলবে তারা কোন উত্তর না দিয়ে তড়িঘরি করে দোকান থেকে চলে যায়।
ভোক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি মুক্ত করার ও প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি পেশ করেন।




















