রিফাত আরেফিন (ব্যুরো প্রধান, যশোর) : যশোরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে এক যুবক। কর্মব্যস্ততা শেষে বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে এই হামলার শিকার হয়েছে তুষার নামে এক যুবক। গত ১৬ই জুন রাত আনুমানিক ১০:৪০ মিনিটের সময় যশোর বেজপাড়া তালতলা মোড় সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর
সন্ত্রাসী হামলার শিকার তুষার হোসেনের বোন তানিয়া খাতুনের তথ্য মতে জানা যায় তার ভাই মোঃ তুষার হোসেন (২০) শহরের কর্মব্যস্ততা শেষে বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসী সেলিম (৩০), টেরা সুজন (২৮), ফাহিম (২২) ও তাদের সহযোগীরা অতর্কিত এই হামলা চালায়। সেলিমের নির্দেশনায় তার ভাইকে মিথ্যা দোষারোপ করে এবং একপর্যায়ে তুষারের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র সহকারে তুষারের উপর অতর্কিতে হামলা শুরু করে। এলোপাথাড়ি কুপিয়ে বিভিন্ন অঙ্গ জখম করে। তারা তুষারের পকেটে থাকা মুরগি ব্যবসার ৪৬ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয়।
গুরুতর জখম তুষারের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশেপাশের মানুষজন ছুটে এলে সেলিম ও তার সহযোগীরা প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে স্থান ত্যাগ করে। আশেপাশের লোকজন গুরুতর জখম তুষার কে চিনতে পেরে তার বাড়িতে সংবাদ দেয়।
আশেপাশের লোকজনের মারফত বিস্তারিত শুনিয়া তুষারের বোন তানিয়া খাতুন গুরুতর জখম অবস্থায় যশোর তুষারকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তুষার এখন গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ এ প্রতিবেদক অপারেশন থিয়েটারের সামনে ক্রন্দনরত তানিয়া খাতুনকে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বিস্তারিত খুলিয়া বলেন। সাথে এও জানান যে তানিয়া খাতুন বাদী হয়ে তার ভাই তুষারের হামলাকারী সেলিম ও তার সহযোগী টেরা সুজন, ফাহিম ও অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
তানিয়া খাতুন এ অভিযোগ করেন যে, কোতোয়ালি মডেল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই জয়ন্ত এখন পর্যন্ত কোন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেন নাই। এ প্রতিবেদক এসআই জয়ন্তকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নাই।




















