রিফাত আরেফিন : যশোরের আদালতে নতুন জেনারেল প্রসিকিউটর (জিপি) শেখ আব্দুল মোহায়মেন ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন যশোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ এ এইচ সাবেরুল হক সাবু।
যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত জিপি, পিপি, বিশেষ পিপি, অতিরিক্ত পিপি ও সহকারী পিপিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সলিসিটর অনু বিভাগের উপ সলিসিটর (জিপি-পিপি) সানা মো: মাহরুফ হোসাইন সাক্ষরিত যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো এক পত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পিপি হয়েছেন আব্দুল লতিফ লতা। এ আদালতের সহকারী পিপি হয়েছেন ডেজিনা ইয়াসমিন। একই সাথে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পিপি হয়েছেন একেএম হাসানুর রহমান আসাদ ও সহকারী পিপি হয়েছেন শাহানারা সুলতানা রিনা।
বিশেষ জজ আদালতের পিপি আমিনুর রহমান ও সহকারী পিপি হয়েছেন আনিছুর রহমান পলাশ।
এছাড়া অতিরিক্ত সরকারী কৌঁশলী হয়েছেন তিনজন। তারা হলেন, আব্দুর রউফ খান,শহীদুল আলম খান ও মাহমুদা খানম।
উল্লেখ্য, গত ২০ মে আইন মন্ত্রণালয়ের উপ-সলিসিটর (জিপি/পিপি) সানা মো. মাহ্রুফ হোসাইন সাক্ষরিত আরেক পত্রে যশোর জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে ২য় বারের মত নিয়োগ দেয়া হয় আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এম ইদ্রিস আলীকে। এছাড়া সরকারি কৌসুলি (জিপি) হিসেবে নিয়োগ পান জাহিদুল ইসলাম সুইট। একই সাথে ৩ জন স্পেশাল পিপি, ১২ জন অতিরিক্ত পিপি ও ৪১ জন এপিপি নিয়োগ দেয়া হয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত সরকারি কৌসুলি হিসেবে ৪ জন ও সহকারী সরকারি কৌসুলি হিসেবে আরও ১২ জন নিয়োগ দেয়া হয়। সাত মাসের মাথায় ওই নিয়োগ বাতিল করে পুনরায় আইন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়া হলো।




















