মোল্লা মামুন বিশেষ প্রতিনিধি॥ পাকিস্তানের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে যারা বাংলার স্বাধীনতার স্বপ্নকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে চেয়েছিল, নিরন্তর চেষ্টা চালিয়েছিল লাল সবুজের পতাকার যেন জন্ম না হয়, করেছিল হত্যা, লুট তাদের মিত্র পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মনোরঞ্জনের জন্য যোগান দিয়েছিল বাংলার মা-বোনের লুকানো তথ্য, করিয়েছিল সম্ভ্রমহানী বলছি সেই কুখ্যাত রাজাকার পরিবারের সদস্য মো: ইসমাইল হোসেন বাবলু ওরফে বাবলু শাহ ফুলতলা দামোদর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতির অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্থানীয় আ.লীগ।
বাবলু শাহ এর পিতা ইয়াকুব বিহারী ও তার মামা বাবু খাঁ ১৯৭১ সালের তালিকা ভুক্ত কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। যা দামোদর ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট রাজাকার তালিকায় ০৪নং ক্রমিকে ও ১১ নং ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত আছে।
উক্ত রাজাকারদের মাধ্যমে অনেক নারী ধর্ষণ, হত্যা, লুটপাট সহ অনেক অত্যাচারের ঘটনা রয়েছে যা আজও ফুলতলা উপজেলার অনেক ভুক্তভোগীরা ভুলতে পারি নাই।
এই পরিবারটি আওয়ামীলীগ বিদ্বেষী পরিবার যা দামোদর ইউনিয়নের সকলেই অবগত। ইসমাইল হোসেন বাবলু ওরফে বাবলু শাহ তার ব্যক্তিক্রম নয়, চলনে বলনে আ.লীগ হলেও অভিযোগ ইসমাইল হোসেন বাবলু প্রকৃত পক্ষে ভিতরে ভিতরে অনেক পরিক্ষিত আ.লীগ কর্মীদের ক্ষতি সাধন ও নির্যাতন করে কর্মী শুন্য করার মিশনে লিপ্ত।
ভুক্তভোগী মো: কুদ্দুস মোল্লা দামোদর ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। কুদ্দুস মোল্লা আর ও বলেন, গত ইং ০৫/০৩/২০২৩ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৩০ সময়ে ফুলতলা থানাধীন দামোদর গ্রামের রেলস্টেশনের পাশে আ.লীগের দলীয় কার্যালয়ে বসে নেতা কর্মীদের সঙ্গে এসব কথা বলছিলেন।
তিনি বলেন, মো: বাবলু শাহা (৪৫) পিতা: মৃত ইয়াকুব বিহারী, জাহাঙ্গীর সরদার (৪২), ও আলম সরদার (৫০) উভয় পিতা: মৃত মতি সরদার ফুলতলা থানার বাসিন্দা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ মারধর করতে আসে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি প্রাদান করেন।
এ ব্যপারে মো: কুদ্দুস মোল্লা নিজেই ফুলতলা থানায় এসে (১) বাবলু শাহা (৪৫) পি মৃত ইয়াকুব বিহারি, (২) মো: জাহাঙ্গীর সরদার (৪২), (৩) আলম সরদার (৫০) উভয় পিতা: মৃত মতি সসরদর, সাং দামোদর, থানা: ফুলতলা, উপজেলা : ফুলতলা, জেলা: খুলনার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডাইরি করেন যার নং-৫৮৪, তাং-১০\০৩\২৩ইং।




















