রবিউল হক বাবু, (ফুলপুর) ময়মনসিংহ : ফুলপুরে বওলা ইউনিয়ন ৮৭ গ্রামে ঘটে যাওয়া পুত্র সন্তান কে না পেয়ে বাবা কে রাস্তায় আটকিয়ে বেদর মারধরের অভিযোগ দায়ের করেন গ্রামের গ্রামীণ জনপদের সাধারণ কৃষক, বাদী: মোঃ দুলাল খান (৪৫), পিতা: মৃত আলী নেওয়াজ খান, গ্রাম: সাতাশি, ডাকঘর: আজমপুর, থানা:ফুলপুর, জেলা: ময়মনসিংহ।
ঘটনা সূত্র, সরেজমিনে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে দেখা ও জানা যায়
পূর্ব বিরোধের জের ধরে ঘটনার দিন ও সময়ে অর্থাৎ ১০/০৫/২০২৫ইং তারিখ রোজ শনিবার বিকাল অনুমান ৩ ঘটিকার সময় বাদী দুলাল খান ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সুতারপাড়া বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি হইতে বের হইয়া ১নং বিবাদী স্বাধীনের বাড়ির সামনে পৌঁছা মাত্রই মারাত্মক অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উৎপাতিয়া থাকা স্বাধীনের নেতৃত্বে ৪/৫ জন বিবাদী পথের গতিরোধ করে।
বিবাদী: ১। মোঃ স্বাধীন খান (২২), ২। মোঃ মজিবর খান (৩৫), উভয় পিতা: মোঃ মাফেজ উদ্দিন খান, ৩। মোঃ মাফেজ উদ্দিন খান (৫৫), পিতা: অজ্ঞাত, গ্রাম: সাতাশি, ডাকঘর: আজমপুর, থানা: ফুলপুর, জেলা: ময়মনসিংহ সহ আরও ৪/৫ জন।
চারদিক দিয়ে গিরিয়া ফেলে। তখন ১নং বিবাদী স্বাধীন হুকুম দেয় যে, শালারে খুন করে ফেল তখন ২ ও ৩নং বিবাদী তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়া বাইরাইয়া আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোমরে ফুলা জখম করে এবং লজ্জাস্থানে আঘাত করে। এবং আমার সঙ্গে নগদ টাকা জোর পূর্বক ছিনাইয়া নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে সকল বিবাদীগণ আমার আমার হাত পা বেধে ফেলে এবং সকল বিবাদীরা ১নং বিবাদী স্বাধীনের বাড়ীতে নিয়ে আমাকে আটকিয়ে রাখে।
বিষয়টি লোকজন মারফত আমার ছেলে ১নং স্বাক্ষী জানতে পেরে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে ফুলপুর থানার পুলিশের সহায়তায় আমাকে উদ্দার করে ফুলপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আমি বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি।
ঘটনা স্থলে সমাবেশ স্বাক্ষী: ১। মোঃ আনারুল ইসলাম, পিতা মোঃ দুলাল খান, ২। আলামিন শেখ, পিতা: আকাম উদ্দিন শেখ, ৩। রফিকুল ইসলাম, পিতা: শাহাব উদ্দিন, ৪। খাইরুল ইসলাম, পিতা: সাবজল, ৫। হৃদয়, পিতা: রফিকুল ইসলাম, গ্রাম: সাতাশি, ডাকঘর: আজমপুর, থানা: ফুলপুর, জেলা: ময়মনসিংহ সহ আরও অনেকেই।
বিষয়টি থানায় ডায়রিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পরবর্তী আপডেট আরও ভয়াবহ সৃষ্টি হয়েছে ৮৭ গ্রামে। মামলা মোকাদমা চলমান চিত্রে ১ জনকে বাদী পক্ষের লোকজন মারপিট করে হালুয়া ঘাট থানা অবস্থিত কইলাটি গ্রাম থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ফুলপুর থানার পুলিশের কাছে হস্তক্ষেপ করা হয়।
বিবাদী পক্ষ কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে বাড়িতে এসে দুলাল মিয়ার বাড়িতে পাল্টা আক্রমণ জোরদার করাই বাদী পক্ষ সহ সাক্ষী পক্ষের লোকজন এবং ৮৭ গ্রামে আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে এমন অবস্থায় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।




















