বাংলাদেশ সকাল
শুক্রবার , ৫ জুলাই ২০২৪ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

সৌদিতে আগুনে পুড়ে চার বাংলাদেশি নিহত; নিহতদের ৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলায়; পরিবার এখন নিঃস্ব

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৫, ২০২৪ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ

 

কামল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি: সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে চার জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে তিন জনের বাড়ি নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায়। গত বুধবার(৩ জুলাই) বুধবার সৌদির স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচ টার দিকে রাজধানী রিয়াদের মুসাসানাইয়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নিহতদের স্বজনেরা। নিহতদের সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই নিহত পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। চলছে শোকের মাতম।

নিহতরা হলেন, আত্রাই উপজেলার ৫নং বিশা ইউনিয়নের তেজনন্দী গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ফারুক হোসেন(৪০) ৪নং পাঁচুপুর ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামের সাহাদ আলীর ছেলে এনামূল হোসেন(২৫) এবং ৩নং আহসানগঞ্জ ইউনিয়নের দিঘা স্কুল পাড়া গ্রামের কবেজ আলীর ছেলে শুকবর আলী (৪০) ।

নিহত এনামূলের পরিবার জানান, বুধবার রাত দশটার দিকে তারা নিহতের সংবাদ জানতে পারেন। নিহত এনামুলের চাচা জাহিদুল ইসলাম জানান, এনামূল গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করতো। বেশ কিছু দিন পূর্বে অনেক টাকা ধারদেনা করে সৌদি আরবে যায়। ধারের টাকা মাত্রই পরিশোধ করেছে। একটি মাথা গোজার স্বপ্নের বাড়ির কাজ শেষ হলে ২০২৫ সালে দেশে এসে বিয়ে করার কথা পরিবারকে জানিয়েছিলেন। বুধবার রাত ১০টার দিকে আগুনে পুড়ে এনামূল মারা যাওয়ার খবর পান তারা। বাবা-মার একমাত্র ছেলে এনামূল। ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। ছেলেকে হারিয়ে শোকের পাথর হয়ে গেছেন বাবা-মা।

তেজনন্দী গ্রামের নিহত ফারুকের পরিবার জানান, প্রায় ৬বছর আগে ধারদেনা করে সৌদি আরবে যান ফারুক। সৌদিতে যাওয়ার পর থেকেই নানা ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়েন তিনি। গত ৮ মাস থেকে ফারুক একটি সোফা তৈরির কারখানায় কাজ শুরু করেন। বুধবার রাতে তারা জানতে পারেন কারখানায় আগুনে ফারুক নিহত হয়েছে।

উপজেলার দিঘা গ্রামের নিহত শুকবর আলীর জামাই বিদ্যুৎ হোসেন জানান, আড়াই বছর আগে একমাত্র সম্বল ১১ শতক জায়গা বিক্রি করে এবং ধারদেনার টাকায় সৌদি আরবে যান শুকবর। সেই ধারের টাকা এখনও পরিশোধ করতে পারেন নাই তিনি। শুকবর আলীর দুই ছেলে ও এক মেয়ে।বড় ছেলে শামীম হোসেন প্রতিবন্ধী।শুকবর আলীই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

এবিষয়ে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জিতা বিশ্বাস বলেন, সৌদি আরবে আগুনে পুড়ে নিহত ৩ জনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ দেশে আনা সহ সার্বিক সহযোগিতা করবে উপজেলা প্রশাসন।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বরগুনায় নিহত মন্টু দাসের পরিবারের পাশে আফরোজা আব্বাস 

ময়মনসিংহে মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ 

পাকিস্তানের করাচির লান্ডি জেল থেকে মুক্তি পেল ভারতের ৭৭ জেলে

বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদকের পিতার ইন্তেকাল, আমরা শোকাহত 

ডাসারে নানা আ‌য়োজ‌নে উদযা‌পিত হ‌য়ে‌ছে মহান বিজয় দিবস

ডাসারে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

নাসিরনগরে চিকিৎসক ও জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা

নতুন ১৭ হাজার ১৮৭ সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটির আয় সাড়ে ৩ লাখ ডলার

বেনাপোলে কবরস্থান থেকে রেশমা নামে তৃতীয় লিঙ্গের নারীর লাশ উদ্ধার

সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের পিছনে শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের হাত ছিল: শেরপুরে মামুনুল হক