বাংলাদেশ সকাল
সোমবার , ২২ মে ২০২৩ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ২২, ২০২৩ ৪:৩১ অপরাহ্ণ

তাওহীদুল ইসলাম শুভ, পাথরঘাটা (বরগুনা)॥ বাবুই পাখিকে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়ে ঘরে থাকি কর শিল্পের বড়াই, আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে।

কবি রজনীকান্ত সেনের অমর কবিতাটি যুগের শিক্ষার্থীরা বাবুই পাখির শিল্প নিপুণতার কথা জানতে পারবে। কারন এখন আর চোখে পড়ে না বাবুই পাখি ও তার নিজের তৈরি দৃষ্টিনন্দন সেই ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য।

সেই ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য হারিয়ে যেতে বসেছে বাবুই পাখি ও তার শৈল্পিক বাসা। মূলত তাল, নারকেল ও খেজুর গাছ কমে যাওয়ায় আবাসন সংকটে পড়েছে বাবুই পাখি।

কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে তালের পাতায় মোড়ানো নিপুণ কারুকার্য খচিত বাবুই পাখির বাসা। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে বাবুই পাখির বাসা অনেকটা বিলীন হতে চলেছে। অথচ আজ থেকে প্রায় ১৪-১৫ বছর আগেও গ্রাম-গঞ্জের মাঠ-ঘাটের তাল গাছে দেখা যেত এদের বাসা। বাবুই পাখির বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই নয়, মানুষকে স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করতো।

সরেজমিনে জানা গেছে, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাম-গঞ্জে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না বাবুই পাখি ও তার তৈরি দৃষ্টিনন্দন ছোট্ট বাসা তৈরির নৈসর্গিক দৃশ্য। বাবুই পাখির নিখুঁত বুননে এ বাসা টেনেও ছেঁড়া কষ্টকর। প্রতিটি তালগাছে ১শ’ থেকে ১২০টি বাসা তৈরি করতে সময় লাগে ১০-১২ দিন। খড়, কুটা, তালপাতা, ঝাউ ও কাশবন ও লতা-পাতা দিয়ে বাবুই পাখি উঁচু তালগাছে বাসা।

সেই বাসা দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি অনেক মজবুত। প্রবল ঝড়েও তাদের বাসা ভেঙে পড়ে না। পুরুষ বাবুই পাখি বাসা তৈরির পর সঙ্গী খুঁজতে যায় অন্য বাসায়। সঙ্গী পছন্দ হলে স্ত্রী বাবুইকে সাথী বানানোর জন্য পুরুষ বাবুই নিজেকে আকর্ষণীয় করতে খাল, বিল ও ডোবার পানিতে গোসল করে গাছের ডালে ডালে নেচে বেড়ায়।

চমৎকার বাসা বুনে বাস করায় এ পাখির পরিচিতি বিশ্বজোড়া। বাবুই পাখির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো- রাতের বেলায় ঘর আলোকিত করতে জোনাকি পোকা ধরে নিয়ে বাসায় রাখে এবং সকাল হলে ছেড়ে দেয়। প্রজনন সময় ছাড়া অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির গায়ে পিঠে তামাটে কালো বর্ণের দাগ হয়। নিচের দিকে কোন দাগ থাকে না। ঠোঁট পুরো মোসাকার ও লেজ চৌকা। তবে প্রজনন ঋতুতে পুরুষ পাখির রং হয় গাঢ় বাদামি। অন্য সময় পুরুষ ও স্ত্রী বাবুই পাখির পিঠের পালকের মতই বাদামি হয়।

সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ছোটবেলায় দেখতাম রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা তালগাছগুলোর মধ্যে অনেক বাবুই পাখির বাসা ছিল। কিন্তু এখন বাবুই পাখির বাসা আর দেখা যায় না। বাবুই পাখির বাসাটি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।

তিনি আরও বলেন, তাল গাছ যে শুধু বাবুই পাখির জন্য নিরাপদ তা নয়, উপকূলীয় অঞ্চলের রক্ষা কবজ তাল গাছ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে শুধু সরকারি ভাবেই নয়, বেসরকারি এবং ব্যক্ত উদ্যোগে তালগাছ রোপন করা দরকার।

উন্নয়ন কর্মী ও সিনিয়র সাংবাদিক মির্জা শহিদুল ইসলাম খালেদ বলেন বৈরী আবহাওয়া ও পরিবেশের কারণে অনেক প্রাণি হারিয়ে যাচ্ছে। অসংখ্য প্রজাতির পশু, পাখি, কীট-পতঙ্গ আমাদের পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত হয়েছে। অনেকগুলো বিলুপ্তির পথে‌। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সুশাসন নিশ্চিত করতে গণশুনানী করা হবে : পলক

নেত্রকোনায় কৃষি সম্প্রসারণের চাষের মেশিন গোপনে বিক্রির চেষ্টা: ওয়ার্ড মেম্বার হাতেনাতে ধরা

আমতলীতে যুব দিবস উপলক্ষে ঋণের চেক বিতরন

ঝিনাইদহ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ঐক্য পরিষদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

অনওয়ে স্কুলের রাঙ্গামাটি জেলা টিম ঘোষণা: রাকিবুল লিডার এবং সুবর্না কো-লিডার 

কক্সবাজার সদরে পানিবন্দি এলাকায় অসহায় দের পাশে এড. সৈয়দ মোঃ রেজাউর রহমান

রাণীশংকৈলে হকার্স পার্টির আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম লাঞ্ছিতের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

বাগমারায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ 

মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব কমিটির পক্ষে থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন 

নৌকা প্রতীকে ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী