বাংলাদেশ সকাল
সোমবার , ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

খুলনা ৬ (পাইকগাছা-কয়রা) জামায়াতের গোল্ডেন আসনে জোট  থাকলে কে পাবে নমিনেশন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৩ ৭:১১ অপরাহ্ণ

মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ পাইকগাছা॥ জামায়াতের দাবী খুলনা ৬ আসন গোল্ডেন আসন। তার কোন ভাবে বিএনপি কে ছাড় দিতে নারাজ। এদিকে বিএনপির দাবী বিগত দিনে তারা জোটগত কারনে জামায়াত কে ছাড় দিলো এবার তারা ছাড় দিবেনা। জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হওয়ার কারনে তাদের সাংগঠনি অবস্থা নড়বড়ে ভাবছেন। সেদিক থেকে বিএনপির সংগঠন সুসংগঠিত। ফলে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা আর এ আসনটি জোটের শরিক জামায়াতকে ছেড়ে দিতে চায় না।

বিগত নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১৯৭৩ সালে এ আসনে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা স ম বাবর আলী। ১৯৭৯ সালে বিএনপির শেখ রাজ্জাক আলী এবং ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির মোমিন উদ্দীন আহমেদ নির্বাচিত হন। এরশাদের স্বৈরশাসনের অবসানের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন জামায়াতের শাহ্ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ মো. নূরুল হক জয়লাভ করেন। ২০০১ সালে আবার জামায়াতের শাহ্ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস সংসদ সদস্য হন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের সোহরাব আলী সানা এবং সর্বশেষ ২০১৪ সালে বেনা ভোটে একই দলের শেখ মো. নূরুল হক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ আসনে আ’লীগ ও জামায়াতের সংগঠন বেশ মজবুত বিএনপি নড়বড়ে কিন্তু সেটা মানতে নারাজ বিএনপি

১৯৭৯ সালে সাবেক স্পিকার এ্যাডঃ শেখ রাজ্জাক আলীর পর এ আসন থেকে কোন বিএনপি’র কেউ নমিনেশন পায়নি। ক্ষমতার স্বাদ পাইনি বিএনপি নেতা কর্মিরা। তাই তারা এবার কোন ভাবে ছাড় দিবে না । বিএনপির কয়েক জন নেতা আগামি সংসদ নির্বাচনে নমিনেশনের জন্য জোর লবিং এবং গনসংযোগ করছে। তাদের মধ্যে পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আঃ মজিদ তিনি নিজ উপজেলা পাইকগাছার বিভিন্ন ইউনিয়নে নেতা-কর্মিদের নিয়ে গনসংযোগ করছেন। অপর নমিনেশন প্রার্থী কয়রা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডঃ মোমরেজুল ইসলাম তিনিও নিজ উপজেলা কয়রার মধ্যে গনসংযোগ করছেন। বসেনেই বিএনপির আরেক নেতা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ মনিরুল ইসলাম মন্টু। তিনি বেশির ভাগ সময় খুলনায় থাকলেও দু’উপজেলায় তার বেশ নেতা-কর্মী আছে।

বিএনপি থেকে আরো একজন তরুন উদীয়মান নেতা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক তিনিও বেশ গনসংযোগ করেছেন পৌর‌ বিএনপির নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার তিনিও গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে মাঠে এবং কেন্দ্র লবিং চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে বসেনেই জামায়াত তারা তাদের সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামি নির্বাচনে তারা যেনো নমিনেশন পায় তার জন্য সংগঠনকে চাঙ্গা করার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক নেতা জানিয়েছেন। জামায়াতের দু’বারের সাবেক সংসদ অধ্যক্ষ শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস বার্ধক্যজনীত কারনে দলকে আর সময় দিতে পারেনা বলেও জানা গেছে এবার তারা খুলনা মহানগরের সাবেক জামায়াতের আমির মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কে সামনে নিয়ে এগুচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে। শেষ হাসি কে হাসবেন সেটা বোঝা যাবে আরো পরে। পারবে কি বিএনপি? নাকি বরাবরের ন্যায় জামায়াতকে ছাড় দিতে হবে বিএনপির?

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাগমারার ফসলি জমিতে চেয়ারম্যানের অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে ইউএনও’র অভিযান 

নাটোরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ ৫ জনের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী নিহত

যশোরে প্রাচ্যসংঘের “বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রাম” শীর্ষক আলোচনা 

চাঁচড়ায় সেনা সদস্যদের অভিযান; দেশিয় পিস্তল ও ছুরিসহ চিহ্নিত ৩ দুর্বৃত্ত আটক

হাদিসের দৃষ্টিতে মানব জাতির মুক্তি

কক্সবাজারে হোটেল থেকে ঈদগাঁওর এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার 

নাটোরে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ  

সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

হালসায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার