বিশেষ প্রতিনিধি॥ মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের গাঁড়াডোব গ্রামে ত্রাশের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে নব্য আওয়ামীলিগ নেতা ও ভূমি খেকো জাকারিয়া। জাকরিয়া গাঁড়াডোব গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
জাকারিয়ার জারিজুরি ফাঁস হওয়ায় ও সংবাদ মাধ্যমে না প্রকাশ করার জন্য তিনি শুক্রবার দুপুরে কয়েক দফা হুমকি প্রদান করেন বাংলাদেশ সকালের প্রতিবেদক রিপন হাসানকে।
বাংলাদেশ সকালের রিপন হাসান সহ অন্যান্য মিডিয়ার প্রতিনিধিরা জাকারিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ এর ভিত্তিতে খোঁজ খবর ও তথ্য সংগ্রহ করা অবস্থায় রিপোর্ট প্রকাশের আগেই এ হুমকি দিলেন।
গাঁড়াডোব এলাকার জনসাধারণ থেকে শুরু করে স্থানীয়দের অভিযোগ জাকারিয়ার বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রবীণ নেতা আবুল কাশেম (৬৫) বলেন, এই জাকারিয়া আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশ করে বছর চারেক আগে। তার আগে সে বিএনপি যুবদলের ধানখোলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এর সাধারণ সম্পাদক ও তার পিতা আবুল কাশেম একই ওয়ার্ডের বিএনপির সহ-সভাপতি হিসাবে চলমান নেতৃত্বে আছেন। এই প্রবীণ নেতার বক্তব্য উঠে আসে আর ও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
তিনি বলেন, মেহেরপুর জেলা আওয়ামীলিগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন দায়িত্বশীল ব্যাক্তিকে এর জন্য দায়ী করেন। অভিযোগ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম. এ খালেকের নাম ভাঙিয়ে থানা থেকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করে এলাকার মানুষকে অতিষ্ট করে তুলেছে।
জমি দখল , চাঁদাবাজী ও মাদকাসক্তদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার স্বর্গ রাজ্য গড়ে তুলেছেন গাঁড়াডোব সহ আশেপাশের এলাকায়। বছর চারেক আগে আওয়ামীলীগে যোগদান করার পর থেকে গঠন করেছে নিজস্ব ক্যাডার ও পেটোয়া বাহিনী ।
এই অভিযোগ এর ভিত্তিতে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেককে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন , জাকারিয়া বছর চারেক আগে যোগদেন আওয়ামীলীগে। তার নামে আমাকে এমন কোনো অভিযোগ কেউ করেনি। সে বিভিন্ন সময় আমার অনুষ্ঠানে কয়েকজনকে নিয়ে যোগদান করে। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।
একই গ্রামের প্রতিবন্ধী মানান (২৫) এর কাছে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে উঠে আসে ভিটে বাড়ির জমি দখলের লোমহর্ষক তথ্য। মান্নান চলাচলে অক্ষম, অস্বাভাবিক অবস্থায় জীবন ধারণ করেন বলে মান্নান নিজেই জানান ।
মান্নান বলেন, জাকারিয়া আমার জমি দখল করতে আসে। বাড়ির জায়গা দখল নিয়ে মান্নান বলেন, আমার বড় ভাই আক্তার ও হিসাবের সাথে জাকারিয়া জোর করে ৬০ হাজার টাকা দিতে আসে আমি না নিলে, জাকারিয়া বলে তোকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিব, তোকে কোর্টে তুলব এবং তোকে খুন করব এমনকি হত্যার হুমকি প্রদান করে এই জাকারিয়া।
এদিকে বাংলাদেশ সকালের প্রতিবেদক রিপন হাসান তথ্য সংগ্রহ শেষে বাড়ি ফিরলে মুঠো ফোনে কল আসে, পরিচয় দিয়ে বলে আমি জাকারিয়া বেশি চুলকালে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মন্টুকে চিনিস আমার বড় ভাই, ওকে ফোন করে তোর গুষ্ঠি উদ্ধার করে দেব।
শুধু এ কথা বলেই ক্ষান্ত হয়নি এই নব্য আওয়ামী লীগ জাকারিয়া, সেই সাথে বলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আমার দুলাভাই বুঝেনে তোকে গুম করে ফেলতে কত মিনিট সময় লাগবে সময় গোন । আমি তোকে বাঁচতে দেবোনা বলে হুমকি প্রদান করে। হুমকি প্রদান কারি জাকারিয়া কয়েক বার তার মুঠোফোন নাম্বার ০১৭২১৩৯৩৬৫২ থেকে ফোন দেয় দুর্ধর্ষ এই কথিত নেতা।




















