স্টাফ রিপোর্টার, নেত্রকোনা : ঘটনাটি নেত্রকোনা কেন্দুয়া উপজেলা ৮নং বলাইশিমুল ইউনিয়নের কুমরুড়া বাজারে। ঔষধ ব্যাবসায়ী রঞ্জন ভট্টাচার্যের ওষুধের দোকানে ঘরের তালা ভেঙ্গে সকল ঔষধ লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে যে অভিযোগ করা হয়েছিল তা সরেজমিনে গিয়ে জনে জনে জিজ্ঞাসা করেও সত্যতা পাওয়া যায়নি। সম্পূর্ণ ভিত্তিহীনছিল এই অভিযোগ। উক্ত দোকান ঘরটির প্রকৃত মালিক অভিযুক্ত আব্দুল খালেক এর ছেলে রাব্বি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রঞ্জন ভট্টাচার্য আব্দুল খালেক এর ছেলের দোকানে ভাড়ায় দোকান চালায়। সম্পর্কে খালাতো ভাই, উল্লেখ থাকে যে, রঞ্জন ভট্টাচার্যের মা, স্মৃতি রানী অবসরপ্রাপ্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারী ছিলেন। উনার আপন বোন সীমারানী ধর্মান্তরিত হয়ে (নুরুন্নাহার) নামে দীর্ঘদিন যাবত সংসার করে আসছেন আব্দুল খালেক এর সাথে। সেই সূত্রে রঞ্জন ভট্টাচার্য ও আব্দুল খালেক এর ছেলে রাব্বি খালাতো ভাই। তাই রাব্বীর দোকানে কিছু টাকা দিয়ে না দিয়ে দোকানে ব্যাবসা করে আসছিল রঞ্জন বাবু।
মূলত রঞ্জন ভট্টাচার্য ফিশারীর নামে প্রায় বিশ পঁচিশ লাখ টাকা ধার দেনা করে গত ৫ই আগষ্ট থেকে গা ডাকা দিয়েছে।
এলাকায় একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায় যে, রঞ্জন ভট্টাচার্যের ওষুধের দোকান ছিল নামে মাত্র ,তার প্রকৃত ব্যবসা হলো ফিশারী ব্যবসা। মাছের খাবার বাবদ অনেক মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা করেছে কিন্তু মাছ বিক্রির পর সেই টাকা কাউকে ফেরত দেয় নাই। এমতাবস্থায় সরকার পতনের পর আওয়ামীলীগ পন্থী রঞ্জন ভট্টাচার্য ঋণের টাকা পরিশোধ না করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
আর এই পলাতক থাকা অবস্থায় তার ঔষধের দোকান যার প্রকৃত মালিক আব্দুল খালেক এর ছেলে রাব্বি। এই দোকানে রঞ্জন ভট্টাচার্যের বাইলে বা রেগে সাজানো ছিল শুধু খালি কিছু বক্স এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ কিছু ঔষুধ। সেগুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে তার মায়ের মাধ্যমে। তারপর লুটপাট এবং ভাঙচুরের অভিযোগ করে প্রকৃত ঘর মালিক আব্দুল খালেকের ছেলে রাব্বির নামে। এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের সাথে কথা বলে এবং ঘটনাস্থলে গিয়েও ভাঙচুরের কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি ।
উল্লেখ থাকে যে, রঞ্জন ভট্টাচার্যের আপন খালার স্বামী আব্দুল খালেক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। তিনি ধর্মান্তরিত করে রঞ্জন ভট্টাচার্যের খালাকে বিয়ে করার পরে পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে রঞ্জন ভট্টাচার্যের মা এবং ঐ পরিবারকে শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন এবং বিভিন্ন আপদে বিপদে এগিয়ে যেতেন এবং নিজের ঘরে ফ্রীতে ব্যবসা করতে দিয়েছেন। রঞ্জন ভট্টাচার্য ব্যবসা বাণিজ্য করার সুযোগ সুবিধা ও দোকান ফ্রিতে পাওয়ার পরেও নিজের ঋণের চাপে ও ব্যক্তিগত জীবনের ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে চরম অনিয়মের ভিতরে ধার দেনা করে গা ঢাকা দেওয়া ব্যক্তি তার আপন খালাতো ভাই আব্দুল খালেকের ছেলে রাব্বির নামে মিথ্যা অভিযোগ করে জরিমানা আদায় করার পাঁয়তারা করছে বলে জানান ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক ও তার ছেলে রাব্বী।
তিনি প্রশাসনিক ভাবে ও বাংলাদেশ সরকারের কাছে উক্ত মিথ্যা অভিযোগের জন্য এবং তার বিরুদ্ধে মিডিয়ায় প্রচার করা সংখ্যালঘুর নির্যাতনের যে মিথ্যে বানোয়াট কথা প্রকাশ করেছেন তার তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করছেন। এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেক লোকের সাথে কথা বলে আমাদের প্রতিনিধি জানান যে, উক্ত বলাইশিমুল ইউনিয়নে ও আশেপাশে কোথাও বিগত সরকার পতনের পর কোন সংখ্যালঘু নির্যাতন লুটপাট বা ভাঙচুর হয় নাই। অতএব উক্ত বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুল খালেক ও তার ছেলে রাব্বি উক্ত বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যে অভিযোগ কারী রঞ্জন ভট্টাচার্যের বিচার দাবী করে।




















