এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও॥ কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডীতে শুটকি উৎপাদনসহ প্রক্রিয়াজাতকরনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন শুটকি তৈরির সাথে জড়িত পুরুষ ও নারী শ্রমিকরা। যেন তাদের সাথে কথা বলারও সুযোগ হচ্ছেনা।
এলাকার এক শুটকী ব্যবসায়ী জানান, ৪/৫ মাস ধরে শুটকি উৎপাদন শুরু হয়।উপকূলীয় ইউনিয়ন হিসেবে চৌফলদন্ডীতে বড় শুটকি মোকাম। এখানকার শুটকি জেলা পেরিয়ে চট্রগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
স্থানীয় কজন শ্রমিক হতাশ কন্ঠে জানান, শুটকি উৎপাদন একটি বড় প্রক্রিয়া। এটির সাথে বহু মানুষ জড়িত। শুটকি একটি বড় শিল্প কিন্তু এই ব্যবসা এখনো শিল্পের মর্যাদা পাননি। এলাকার শ্রমিকরা খুব কষ্টের মধ্যে থেকে ব্যবসা করে যাচ্ছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়ার ব্রীজ ঘাট, তৎসংলগ্ন এলাকা, উত্তর পাড়াসহ আরো কটি এলাকায় অসংখ্য শ্রমিক শুঁটকি উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছে। গভীর সাগর থেকে বড় বড় বোটের মাধ্যমে মাছ আহরণ করে চৌফলদন্ডী ব্রীজ ঘাট ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ভিড়ছে। বোটে করে আসা বিভিন্ন কাঁচা মাছ রোদে শুকিয়ে শুঁটকি করা হচ্ছে। ঘরের ছাদে ও উঠানে সুন্দর মাচা বানিয়ে তৈরি করা হচ্ছে শুঁটকি।
এসব মাচায় সারি সারি কাঁচা লইট্যা, ছুরি, পোয়া, ফাইস্যা, মাইট্যা, রূপচান্দা, চিংড়ি মাছসহ বিভিন্ন ধরনের শুঁটকি উৎপাদিত হচ্ছে।
৩০ বছর ধরে শুটকি ব্যবসার সাথে জড়িত উত্তর পাড়ার ইয়াছিনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এলাকাতে প্রায় ৫ মাস ধরে ঐতিহ্যের শুটকি ব্যবসা চলছে। সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়। গ্রাম থেকে শুঁটকি চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জের শুটকী আড়তেও সরবরাহ করা হয়। চৌফলদন্ডী এলাকার শুটকির যে সুনাম আছে সেটি ধরে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে যেন দূর্নাম না হয়।




















