বাংলাদেশ সকাল
মঙ্গলবার , ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ঝিনাইদহের ফুল চাষীরা পার করছেন ব্যস্ত সময়

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৪ ১০:২২ অপরাহ্ণ

 

শেখ শফিউল আলম লুলু, ঝিনাইদহ : বসন্ত, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই ৩ টি দিবসের বাজার ধরতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝিনাইদহের ফুলচাষীরা। দিবসগুলোতে দাম ভালো পেলে লাভের মুখ দেখবে বলে আশা তাদের। এদিকে ভালো ফলন পেতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার গান্না গ্রামের মাঠ।

মাঠভর্তি বাগানে শোভা পাচ্ছে গাঁদা, গোলাপ, জারবেরা, চন্দ্রমল্লিকাসহ নানান জাতের ফুল। রং বেরং এর ফুলে মাঠগুলো সেজেছে যেন নতুন সাজে। সেই ফুলের বাগানে পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষীরা। এখন ফুলের ভরা মৌসুম তারপরও ধরতে হবে তিনটি উৎসব। যে কারণে ব্যস্ততা বেড়েছে তাদের। ফুলের কড়ি ধরে রাখতে আর ফলন ভালো পেতে বাগানগুলোতে চলছে পরিচর্যা।

ঋতুরাজ বসন্ত, ভালোবাসা দিবস আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলের চাহিদা থাকে বেশি। সেই চাহিদা মিটিয়ে ভালো লাভের আশায় দিনরাত পরিশ্রম করছেন কৃষকরা।

দিবসগুলোতে ঘিরে সারা বছরের লাভ-লোকসানের হিসাব মেলান তারা। উর্দ্ধগতির বাজারে ফুল চাষে বেড়েছে সব ধরনের খরচ। তাই দাম ভালো পেলে লাভের মুখ দেখবেন এমনটিই আশা তাদের।

ফুল চাষী রফিকুল ইসলাম জানান, বসন্ত, ভালোবাসা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলের চাহিদা থাকে বেশি। তবে সঠিক সময়ে যদি ফুল তুলে বাজার ধরতে পারি তাহলে এবার ভালো দাম পাব বলে আমি আশা করছি।ফুল বাগানের মালী আলমঙ্গীর হোসেন জানান, আমি ফুলের বাগানে কাজ করি দির্ঘদিন ধরে। তবে এই তিনটি দিবস একই মাসে হওয়াই আমার ব্যস্ততা এতটাই রেড়ে যাই যে আমি কারও সাথে ঠিক মত কথাই বলতে পারি না। এমন কি আমি সময় মত খাবার খেতেও পারি না।

সদর উপজেলার গান্না বাজারের ফুল ব্যবসয়ী মতিয়ার রহমান জানান, বর্তমানে বাজারে গোলাপ ফুলের সংকট দেখা দিয়েছে কারণ সামনে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। আর ভালোবাসা দিবসের দিন একটি গোলাপ ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রী হবে বলে আশা করি।ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী জানান, ফলন ভালো পেতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের দেওয়া প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে নানা পরামর্শ। এতে ফুলের ফলন ভালো হবে ও দামও ভালো পাবে। এছাড়াও পূর্বের ক্ষতি কাটিয়ে লাভের মুখ দেখবেন এ জেলার ফুল চাষীরা।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, এ বছরে রবি মৌসুমে জেলায় ৫৪ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে নানা জাতের ফুলের। যা বিক্রি করে আয় হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

পাইকগাছা রিপোটার্স ইউনিটি দ্বিবার্ষিক কমিটি পুনঃগঠিত 

রায়পুরা উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

সড়ক নির্মাণে ব্যয় কমাতে হবে, উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান

গঙ্গাচড়ায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশের পর কাশিয়ানীতে ভুয়া হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

নাটোরের বড়াইগ্রামে শেখ রাসেলের ৫৯ তম জন্মদিন পালিত

যশোর শংকরপুর ছোটনের মোড় আঃ আজিজিয়া মাদ্রাসা এবং এতিম খানার  উদ্যোগে দোয়া মাহফিল

ডাসারে সুদের টাকা পরিশোধ করেও হয়না পরিশোধ! 

হোম গ্যাসের দাম বাড়াল ন্যাশনাল গ্রিড

সোনারগাঁয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২