ডিমলা (নীলফামারী)প্রতিনিধি॥ নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের কিসামত ছাতনাই গ্রামের চর এলাকায় নিরক্ষরতা দুরীকরনের লক্ষ্যে কিসামত ছাতনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং সরকারি হয়। এরপর অভিভাবকরা তাদের কোমলমতি শিশুদের নিরক্ষর মুক্ত করার জন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করে।
বর্ষায় তিস্তা নদীর বন্যা দেখা দিলে প্লাবনের সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পানি উঠায় তৎকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষক মেরিনা আক্তার কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে গৃহটিকে ভেঙে পার্শ্ববর্তী ৪ কিঃমিঃ দুরত্বে অবস্থিত দোহলপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে আনা হয়। দীর্ঘদিন যাবত মাঠে পড়ে আছে ঘরটির মালামাল। নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার উপকরণ সহ বিদ্যালয় ঘরটি। এদিকে ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে যেতে না পেরে লেখাপড়া ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছে অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় গৃহটি প্রতিস্হাপনের জোর দাবি উঠেছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তিনি স্হান টানাটানিতে ও চর এলাকায় বিদ্যালয়টি প্রতিস্হাপন না করার বিভিন্ন অজুহাত করায় এবং উপজেলা শিক্ষা কর্তৃপক্ষেকে ভুল বুঝিয়ে কাল বিলম্ব করায় স্হানীয় অভিভাবকরা ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট গনঅভিযোগ দাখিল করেছে বলে জানা যায়।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক মেরিনা বেগমের সহিত কথা হলে তিনি বিষয়টি আমলে নেয় নাই। স্হানীয় গন্যমান্য ইউপি সদস্য মকবুল হোসেন ও আওয়ামী লীগ এর নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিদ্যালয় টি অতি তাড়াতাড়ি প্রতিস্হাপন করা জরুরি হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুর মোহাম্মদ এর সহিত কথা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্হা নেয়া হবে।



















