খুলনা ব্যুরো : খুলনার কয়রার বাগালী ইউনিয়নে ঠাকুরের চক গ্রামের শংকর মন্ডলের ছেলে “তরুন কান্তি মন্ডল” কয়রা সরকারী মহিলা কলেজের প্রভাষক দীর্ঘদিন যাবৎ বিজন বাহাদুর( দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা) পত্রিকার কয়রা উপজেলার প্রতিনিধির সাথে বিভিন্ন সময় খুন- মারধর করার হুমকি দিয়ে আসছিল, গত ০৫/০৫/২০২৫ রোজ সোমবার সকাল ৭.৩০-৮.০০ টার দিকে একটা পারিবারিক শালিসীতে বিজন বাহাদুরকে হত্যা করার উদ্দেশ্য মারাত্মক ভাবে আঘাত করে জখম করার পর তাকে এর থেকে আরো ভয়ানক পরিণতি (হত্যা) করার হুমকি দেয় তরুন কান্তি মন্ডল। যে পরিবারের সাথে সালিশী বসেন বিজন বাহাদুর সেই পরিবারের সাথে তরুনের কোন সম্পৃক্ততা নাই, সেখানে তরুন কান্তি মন্ডল (অনধিকার চর্চা) পূর্বক বিচারকের স্থান থেকে বিজন বাহাদুরকে পূর্বের রাগ-আক্রোশ থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি চেয়ার (অস্ত্র সরুপ) ব্যবহার করে নির্মম ভাবে পিটাইতে পিটাইতে চেয়ার ভেঙে চুর্ণ-বিচুর্ন করে ফেলে এবং দ্রুতই উক্ত চেয়ারের ভাঙা অংশ লুকিয়ে ফেলেন তরুনসহ-উক্ত বাড়ির লোকজন, সুব্রত বাহাদুর, মনোরজ্ঞন বাহাদুর সহ অনেকেই, বিজন বাহাদুরকে তার আত্নীয় স্বজন রক্তাক্ত অবস্থায় কয়রা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করে।
সেখানে কয়েক দিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে মামলা করতে চাইলে বিজন সহ তার পরিবারকে আরো নানা ভয় ভীতি প্রদর্শন করে তরুন কান্তি মন্ডল সহ গ্রামের কিছু লোক।
জানা যায়, কয়েক মাস আগে বিজন বাহাদুরের বাবাকে রাত ১২/০১ টার দিকে গোলার টুটি কেটে ফেলার হুমকি দেন তরুন কান্তি মন্ডল।তখনও আইনি পদক্ষেপ নিতে চাইলে তরুন কান্তি মন্ডল বিজন সহ বিজনের বংশের কয়েকজনের কাছে ক্ষমা চাওয়ায় তাকে ক্ষমা করে দেন। তরুন কান্তি মন্ডলের টাকা থাকার কারনে গ্রামের কিছু লোক তার কাছ থেকে লেন-দেন করেন সে কারন হেতু তারা তাকে সাপোর্ট করতে বাধ্য হয়, তার ধারাবাহিকতায় ০৫/০৫/২০২৫ তারিখে বিজনকে হত্যার উদ্দেশ্যেই উক্ত ভয়ানক হামলা চালায়।
বিজন বাহাদুর গরীব, অসহায় এবং তার জনবল কম থাকায় তরুন কান্তি মন্ডল বরাবরই এই ধরনের অন্যায় কাজ গুলো করে পাত্তা পেয়ে যায়। গ্রাম্য ভাবে বিষয়টি বিজন বাহাদুর মেটানোর জন্য বললে তারা আজ-কাল করে কাল ক্ষেপন করে আগামী ০৯/০৫/২০২৫ তারিখ প্রাক্তন ইউপি মেম্বারের ছেলে খোকন গাজীর মাধ্যমে বসাবসি করলেও সেটার সমাধান করতে আসলে তরুন দোষী প্রামানিত হওয়ার দিকে গেলে খোকন গাজীকে তরুন সহ কবিদাশ, দিবাংশু বলতে থাকেন খোকন তরুন গন্য-মান্য ব্যক্তি এ সালিশী হচ্ছে না আমরা এটা মানি না। তখন খোকন গাজী সালিশী স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তরুনের কাছ থেকে টাকা লেনদেন করা মানুষজনেরা, এরাই হলেন গ্রামের মোড়ল-মাত্তব্বর সে কারনে অন্য বাহিরে লোক (খোকন গাজীকে) ডেকে শালিসী করতে গেলে তরুন সহ অন্যরা সেটা মানতে নারাজ। এছাড়াও বিজন বাহাদুর “কয়রা কপোতাক্ষ কলেজে” চাকরি করার কারনে,কয়রার রাস্তা দিয়ে কলেজে কিভাবে যাওয়া-আসা করে সেটা দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তরুন।
বিজন বাহাদুর তরুনের নামে মামলা করতে উদ্ভুদ্ধ হলে সে তার টাকার জোরে মিথ্যা-বানোয়াট মামলা সহ তরুনের দ্বারা সাজানো একটা বাজে মহিলার দ্বারা নারী নির্যাতন (মিথ্যা মামলা দাড় করনোর পায়তাড়া করে যাচ্ছে, আহত বিজন বাহাদুর ও তার পরিবার তরুনের ভয়ে ভীত হয়ে তার অর্থ বলের কাছে নত স্বীকার করে এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলা-ফেরা করছেন।




















