বাংলাদেশ সকাল
বৃহস্পতিবার , ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

নির্মম নির্যাতনে লিবিয়ায় মারা গেলেন মাদারীপুরের রাকিব; স্বপ্ন ছিলো ইটালী যাবে, পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনবে

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারি ২৩, ২০২৫ ৬:২২ অপরাহ্ণ

 

রতন দে, মাদারীপুর প্রতিনিধি :

লিবিয়ায় দালাল চক্রের নির্যাতনে মাদারীপুরের রাকিব মহাজন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের পখিরা গ্রামের নাজিম উদ্দিন মহাজনের ছেলে।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাকিবের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।

রাকিবের পরিবার জানায়, তিন বছর আগে সদর উপজেলার মৃত ফটিক মৃধার ছেলে জাহাঙ্গীর মৃধার প্রলোভনে পড়ে রাকিব মহাজন। পরে জাহাঙ্গীর মৃধা তার ভায়রা শরীয়তপুরের পালং থানার ধানুকা ইউনিয়নের ছোট বিনোদপুর গ্রামের সোহাগ মাতুব্বরের মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকায় ইতালিতে পৌঁছে দেওয়ার চুক্তি করে। সে মতে ২৭ লাখ টাকা দিয়ে তিন বছর আগে রাকিব পাড়ি জমান লিবিয়ায়। সেখানে আরও টাকার জন্য গেম ঘরে রেখে তার ওপর নির্যাতন চালান সোহাগ মাতুব্বর। পরে রাকিবের বাবা নাজিম উদ্দিন মহাজন ধারদেনা করে ৫ লাখ টাকা দেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি।

দুই বছর চারমাস পরে সোহাগের গেমঘর থেকে বেরিয়ে আরেক দালাল সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের ব্রাক্ষ্মন্দী গ্রামের মাজেদ খলিফাকে ধরে রাকিবের পরিবার। তাকেও ৮ মাস আগে ১৫ লাখ টাকা দেয় গেম করার জন্য। কিন্তু তিনিও টাকা নিয়ে গেমঘরেই নির্যাতন চালান রাকিবকে। এক পর্যায়ে রাকিব গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে লিবিয়ার একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয় রাকিবের। তার মৃত্যুর খবর পরিবারকে দালাল মাজেদ খলিফাই জানান।

এ ব্যাপারে রাকিবের বাবা নাজিম উদ্দিন মহাজন জানান, সোহাগ আর মাজেদকে এ পর্যন্ত ৪৫ লাখ টাকা দিয়েছি। এরপর ছেলের মৃত্যুর খবর শুনতে হলো।

নিহতের ছোট চাচা শাহজালাল মহাজন বলেন, নির্যাতন করে ভাতিজাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা এখন বলছে, রাকিব অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। এভাবে যেন আর কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

তবে অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় দালাল জাহাঙ্গীর মৃধা বলেন, আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। কেউ বলতে পারবে না যে, আমি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আর ওই ছেলে অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। আমার ভায়রা বরং সেখানে ট্রিটমেন্ট করেছে। এর বেশি কিছু জানি না। আর এদিকে মাজেদ খলিফার বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ব‌লেন, লি‌বিয়ায় রা‌কিব না‌মে একজন মারা গে‌ছেন ব‌লে মৌ‌খিকভা‌বে শু‌নে‌ছি। ত‌বে দালাল চ‌ক্রের বিষয় এখ‌নও লি‌খিত অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হ‌বে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

মেহেরপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

নিরাপদ সড়ক চাই ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার লিফলেট বিতরণ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিক্ষোভ, চার ডেপুটি গভর্নরসহ ছয় কর্মকর্তার পদত্যাগ

প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ডিমলায় ১৭২ টি বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণ

বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন জয়পুরহাট জেলার ইফতার ও সেলাই মেশিন বিতরণ 

বিনা নোটিশে আদিবাসী উচ্ছেদ; খোলা আকাশে মানবেতর জীবন যাপন 

সামনেই পঞ্চায়েত ভোট; শুরু হয়ে গেছে শাসক,বিরোধী উভয় দলের তৎপরতা

রাণীনগরে পুকুরের পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু 

জয়পুরহাট জেলার ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা প্রথম দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত

নাটোরে সমুদ্রের পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন