বাংলাদেশ সকাল
রবিবার , ৩ মার্চ ২০২৪ | ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

পতেঙ্গায় অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা, রক্ষকদের হাতে যখন নিয়ন্ত্রণ 

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ৩, ২০২৪ ৬:৩৯ অপরাহ্ণ

ক্রাইম রিপোর্টার: কথায় আছেনা? যে শস্য ভুত তাড়াবে, খোদ সে শস্যেই রয়েছে ভূত তাহলে তাড়াবে কে? বলছিলাম বানিজ্যিক রাজধানীর সে অভাগা এলাকা অপরাধীদের আতুরঘর পতেঙ্গার কথা। যেন অপরাধ আর পুলিশ একে অপরের সাথে মিলেমিশে একাকার। আক্ষেপ করে তাই স্থানীয়রা বলছেন, পতেঙ্গা জোন এরিয়ায় পুলিশ ও অপরাধীদের যোগসাজশে যে অপরাধ সম্রাজ্য গড়ে উঠেছে, এই অপরাধ রুখবে কে?

এর আগে মাদক, চোরাচালান এবং চাঁদাবাজির ধারাবাহিক অনুসন্ধানমূলক ৩ পর্বের প্রতিবেদন প্রকাশের পরে খানিকটা নড়ে চড়ে বসেছে থানা পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, পতেঙ্গা থানার সেই পুলিশ পরিদর্শক এখন আড়ালে চলে গেছেন।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, পর্ব-০৪: পতেঙ্গায় অবাধে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা, নিয়ন্ত্রণ কাদের হাতে?

বন্দর নগরীর পতেঙ্গা থানার সী-বিচের আশেপাশে অর্থ্যাৎ স্টিলমিল থেকে সীবিচ পর্যন্ত ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক নামকা ওয়াস্তে আবাসিক হোটেল মোটেল ও গেস্ট হাউজ। এসব হোটেলে প্রবেশের সময় গেইটে বড় করে সাইনবোর্ড ঝুলানো আছে। যেখানে লেখা আছে স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েদের প্রবেশ নিষেধ। বাহিরের চিত্র এই হলেও ভীতরটা ঠিক যেন তার বিপরীত। তবে এই সাইনবোর্ডের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, এখানে গেলেই সেই রাতের ললনাদের মিলছে দিনের আলোতে অর্থ্যাৎ এক প্রকার প্রকাশ্যেই যুবতীদের দিয়ে ব্যবসা করছেন হোটেল মালিকরা। ফলে অত্র এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা জড়িয়ে পড়ছে অপরাধ জগতে।

সূত্র বলছে এই অপরাধের কারনে অন্যান্য এলাকাগুলোর চেয়ে এখানে আশংকাজনক হারে বেড়েছে কিশোর গ্যাং।

আমাদের চতুর্থ পর্বের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। পুলিশ থেকে শুরু করে বেশধারী সাংবাদিক, এমনকি খোদ স্থানীয় এক কাউন্সিলর ও আছে এখানে হোটেল আছে। আর এইসব হোটেল চলে সরাসরি থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। নিয়মিত মাসোয়ারা ছাড়াও লভ্যাংশের একটি অংশ পুলিশকে দিতে হয় বলেও জানা যায়।

জানা যায়, এসব হোটেলগুলো থেকে প্রতি মাসের ১ তারিখ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে ১ লাখ থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকাও চাঁদা দিতে হয়। আর তাই পত্রিকার শিরোনামগুলোতে নগরীর অন্যান্য থানায় থানা পুলিশের অভিযানের খবর প্রকাশিত হলেও প্রকাশ হয়না এই থানার অভিযানের খবর।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সাবেক ওসি পতেঙ্গা আফতাব বদলি হয়ে যাওয়ার পর এখন এই থানায় চাঙ্গা হয় উঠেছে অবৈধ হোটেল ব্যবসা। এদিকে নগরীর এই স্থানে এহেন অপরাধ কর্মকান্ড মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে যাওয়ায় দেশের অন্যতম এই পর্যটন কেন্দ্রটি ধীরে ধীরে হুমকির মুখে পড়ছে, অনিশ্চিত হচ্ছে ভ্রমনপিপাসুসহ স্থানীয় এলাকাবাসীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষক বাবুল মিয়া গ্রেফতার 

শেরপুর সদর উপজেলাকে ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা সংক্রান্ত যৌথসভা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ-৩ মহাদেবপুর বদলগাছী আসনে ১১ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল, মাঠে শুধু আ.লীগ

নাটোরে ৪৬ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন নারী কাউন্সিলর 

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের সহযোগিতায় নিখোঁজ সন্তান কে ফিরে পেল তার পরিবার

ঝিকরগাছায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বিএমএসএস’র সহযোদ্ধার অসুস্থ মায়ের পাশে সভাপতি জুয়েল আহমেদ

বাগমারায় ট্রাকের ধাক্কায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত

ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নৌকা মনোনীত প্রার্থী কমলের গণসংযোগ ও পথসভা 

যশোরে বাংলাদেশ মটর পার্টস ও টায়ার টিউব ব্যবসায়ী সমিতির ইফতার মাহফিল