বাংলাদেশ সকাল
বুধবার , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

বেনাপোল বন্দরের দুই উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম ও কবির খান বরখাস্ত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৪ ১১:০৩ অপরাহ্ণ

 

রিফাত আরেফিন : অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, অফিসের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগে বেনাপোল স্থলবন্দরের দুই উপপরিচালককে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে বিভাগীয় মামলাসহ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রেজাউল করিম এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ওজনে ডিজিটাল কারসাজি করে শুল্ক ছাড়াই আমদানিকারকদের সুযোগ করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মনিরুল ইসলাম এবং উপ-পরিচালক (প্লানিং) কবির খান।

বন্দর সূত্র জানায়, মনিরুল ইসলাম ছাত্রকালীন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন বলে নিজেকে পরিচয় দিতেন। এ পরিচয়ে তিনি লাগামহীন দুর্নীতি করে বারবার পার পেয়ে গেছেন। তার অত্যাচারে অফিসে সবাই ভয়ে থাকতেন। মনিরুল ইসলাম ২০২২ সালের ১লা অক্টোবর যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে যোগ দেন। সেই সময় থেকেই তিনি ভারত থেকে আমদানিকৃত প্যারিশেবল (পচনশীল) পণ্য ওজনে ডিজিটাল কারচুপি শুরু করতেন। ভারত থেকে সেই সময় প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ ট্রাক পচনশীল পণ্য যেমন- মাছ, ফল, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, টমেটো, আলু ইত্যাদি আসতো।

 

কাস্টমসের কতিপয় কর্মকর্তা ও কতিপয় অসাধু সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীর যোগসাজশে ওজন স্কেলে ডিজিটাল কারচুপি করে সফটওয়্যারের আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রতি ট্রাকে প্রতিদিন দুই থেকে তিন টন পণ্যের ওজন কম দেখানো হতো। প্রতি টন পণ্যের শুল্কায়ন ছিল ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত। সেই হিসেবে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিতো ওই চক্র। আর ফাঁকি দেওয়া সেই রাজস্ব তিনটি জায়গায় আনুপাতিক হারে বণ্টন হতো। এভাবে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এ অসাধু চক্রটি।

সূত্র আরও জানায়, মনিরুল ইসলাম বেনাপোল থেকে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া টাকার একটি অংশ পৌঁছে দিতেন ঢাকার হেড অফিসে উপ-পরিচালক কবির খানের কাছে। তাদের যোগসাজশে এ চক্র ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। কিন্তু তাদের সেই অপকর্ম প্রকাশ হয়ে পড়লে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল বন্দরের ডেপুটি ডিরেক্টর রেজাউল করিম জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দরের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক পত্রে গত ২১ আগস্ট জানানো হয়, ওজন স্কেলে কারচুপির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন, দুর্নীতি, কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে গ্রুপিং, অফিসিয়াল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার ইত্যাদির কারণে উপপরিচালক (ট্রাফিক) মনিরুল ইসলাম ও উপপরিচালক (প্লানিং) কবির খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

পঞ্চগড় -১ আসনে নৌকার মাঝি সাম্রাটকেই চান সকলে

জগন্নাথপুর কুশিয়ারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকিতে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের রাবার বুলেটে দুই বাংলাদেশি আহত

আ.লীগ নেতা চন্দনের জামিনের ইস্যুতে উত্তাল শেরপুর আদালত চত্বর

আর্জেন্টিনার সমর্থনে পটুয়াখালীতে আনন্দ শোভাযাত্রা

ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেইন নির্মাণ নিয়ে দ্বিমত, স্হানীয় জনসাধারণের সাথে মত বিনিময়

মাদারীপুরে সমাজসেবার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

পঞ্চগড়ে খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন পোষ্ট মাষ্টার, হয়রানিতে সেবাগ্রহীতা 

যশোরে ছুরিকাঘাতে যুবক হ*ত্যা

জেএসডির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সা. সম্পাদক এসএম আনসার উদ্দিনের মৃত্যুতে শোক