বাংলাদেশ সকাল
শুক্রবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ভূরুঙ্গামারীতে কালজানী নদের তীব্র ভাঙ্গানে দিশেহারা  স্থানীয়রা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৪ ১১:০৭ অপরাহ্ণ

 

আবু সুফিয়ান পারভেজ (ভূরুঙ্গামারী) কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কালজানী নদের তীব্র ভাঙ্গানে দিশে হারা হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা। ভাঙ্গন রোধে সরকারি কোন উদ্যোগ না থাকায় নিজ উদ্যোগে প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন গ্রামবাসী। তাদের অভিযোগ বার বার সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোন সারা পাননি তারা। এ অবস্থায় নিজেদের চাঁদার টাকায় প্লাস্টিকের বস্তুা কিনে বালু ভরিয়ে সেচ্ছাশ্রমে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার  কালজানি নদী পাড়ের বাসিন্দাদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে. কেউ প্লাস্টিকের বস্তুায় ভরছেন বালু, কেউ ফেলছেন নদীর পাড়ে। এভাবে ঘর বাড়ি ও ফসলি জমি রক্ষার চেষ্টা ভাঙ্গন কবলিতদের। গত ৪ মাস ধরে দুধকুমার নদের অব্যাহত ভাঙন চলছে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্তবর্তী শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা গ্রামে। এরই মধ্যে বিলীন হয়েছে তিন শতাধিক ঘর বাড়িসহ একরের পর একর ফসলি জমি।

এ অবস্থায় ভাঙ্গন কবলিতরা জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডে বার বার যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি তারা। পরে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে নিজেদের অর্থ দিয়ে সেচ্ছাশ্রমে ভাঙ্গন রোধ করে সম্পদ রক্ষার চেষ্টা তাদের।

স্থানীয়দের দাবি তাদের এ চেষ্টার পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামান্য সহযোগিতা পেলে বন্ধ হবে ভাঙ্গন। আর এতেই রক্ষা পাবে ফসিল জমিসহ ঘর বাড়ি।

উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা এলাকার মনছেদ আলী বলেন, আমাদের এলাকার ভাঙ্গন রোধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আমরা কাজ করছি। গ্রামবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্লাস্টিকের বস্তুা কিনে বালু ভরে নদীতে ফেলছি। তার পরেও ভাঙ্গন রোধ করা যাচ্ছে না।

উপজেলার ৩ং তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একেএম ফরিদুল হক বলেন, এই এলাকার দুধকুমার নদ গত ২-৩ মাস ধরে অব্যাহত ভাঙ্গছে। প্রায় ৩শ উপর বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। কয়েকশো হেক্টর ফসিল জমি ফসলসহ নদে চলে গেছে। ভাঙ্গন রোধ করা না হলে তিনটা ক্যাম্প আছে এখানে বিদ্যুৎ আছে সবকিছু ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখানকার খেটে খাওয়া সীমান্তবাসীর জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান শিলখুড়ি এলাকায় দুধকুমারের ভাঙ্গনসহ অন্যন্য নদ নদীতেও ভাঙ্গনের কথা স্বীকার করে জানান, বরাদ্দ কিংবা অনুমতি না থাকায় ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না তারা। সার্বিকভাবে কৃষি জমি ও সামান্য বাড়ি ঘরের জন্য কাজ করার অনুমতি পাচ্ছেন না। সরকারি কোন স্থাপনা হলে কিছুটা কাজের অনুমতি পান বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ময়মনসিংহ সদরে ট্রাক মার্কার বিজয়ের লক্ষ্যে মাহমুদা হোসেন মলি’র গণসংযোগ অব্যাহত 

পঞ্চগড়ে বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে কাজ

কোটচাঁদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আইবিএমসি ছাত্রলীগের শীতবস্ত্র বিতরণ

ঈশ্বরদীতে নিজ বাড়িতে গোপন বৈঠক’র সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক

‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার লিফলেট বিতরণ

বেনাপোলে অপহৃত ৫দিন পর ফারুকের মৃতদেহ মিলল মাগুরাতে

জয়পুরহাটে সিভিল সার্জন ডাঃ রুহুল আমিনের ওএসডি আদেশ প্রত্যাহার ও পুনঃবহালের দাবিতে মানববন্ধন

মেহেরপুরে মাঠ থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

জগন্নাথপুরে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় ওসির সাথে বিএনপির মতবিনিময়