বাংলাদেশ সকাল
বৃহস্পতিবার , ১৩ এপ্রিল ২০২৩ | ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

ভূরুঙ্গামারীতে ধান ক্ষেতে নেক ব্লাস্ট আক্রমণ, কৃষকের মাঝে হতাশা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ১৩, ২০২৩ ৬:০১ অপরাহ্ণ

আবু সুফিয়ান পারভেজ, ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম॥ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বোরো ধানে আক্রান্ত হচ্ছে নেক ব্লাস্ট, এ রোগে প্রথমে ধানগাছের শীষ ভেঙে যায়, ধান সম্পূর্ণ শুকিয়ে চিটা হয়ে যায়, শুকিয়ে যায় ধানগাছের পাতাও।স্থানীয় কৃষি বিভাগ নানা পরামর্শ দিলেও তা কাজে আসছে না। ফলে হতাশায় ও দুশ্চিন্তায় ভুগছে কৃষক।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৪০৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই রোগটি সাধারনত ব্রি ধান২৮ ও চিকন জাতের ধানেই বেশি দেখা যায়।

সরজমিনে গিয়ে কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায় গত বছরে সুধু ব্রি২৮ জাতের ধানে আক্রান্ত হলেও এবছর হাইব্রিড জাতের ( মাইক্রো১, মাইক্রো ৩) চিকন ধানে আক্রমণ বেশি হচ্ছে।

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের মাওনাপাড়া গ্রামের কৃষক লাভলু মিয়া জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ৬৪শতক জমিতে মাইক্রো১ জাতের ধান রোপন করেছি কিন্তু ব্লাস্ট রোগ আক্রমন করে সব ধানের শীষ সাদা হয়ে চিটা হয়ে গেছে। বাজারে বিভিন্ন প্রকার ঔষধ দিয়েও কাজ হয়নি। এখন আমার ঘরে ধানের পরিবর্তে খড় ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই।

একই এলাকার লাল মিয়ার স্ত্রী রোকেয়া বেগম বলেন,সাত মন ধান দেওয়ার চুক্তিতে কষ্ট করে এক বিঘা জমিতে মাইক্রো৩ জাতের হাইব্রিট জাতের ধান আবাদ করেছেন। সেই কষ্টের ধান ক্ষেত সর্বনাশা নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে পাকার আগেই সব শীষ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কান্নাভরা কন্ঠে বলেন, একবিঘা ক্ষেতে ১২০০০ টাকা খরচ হয়েছে কেটে মাড়াই করতে আরো ৩০০০ টাকা লাগবে। এহন দেখতেছি ধানের শীষ সব সাদা হয়ে মরে যাইতেছে। এই ক্ষেতের ধানের ভাত মনে হয় মুখে উঠবেনা। এখন আমার সব আশা, ভরসা শেষ হয়ে গেল।

সদর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামের হতদরিদ্র কৃষক নুরমাল জানান, অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ৪০ শতক জমিতে ২৮ জাতের ধান রোপন করেছি। কিন্তু তা নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রমন হয়ে সব শেষ হয়ে গেছে। বিভিন্ন ঔষধ স্প্রে করেও কোন কাজে আসেনি। ফলে এখন আমি সব হারিয়ে নিঃসহ হয়ে গেছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার সুজন কুমার ভৌমিক বলেন চিকন জাতের ধানে এই রোগের আক্রমণ বেশি হচ্ছে। ট্রাইসাইক্লাজোল (ট্রুপার ৭৫ ডব্লিউপি) ০.৭৫ গ্রাম/ লিটার অথবা ট্রাইসাইক্লাজোল+ প্রোপিকোনাজল (ফিলিয়া ৫২৫ এসই) ২মিঃলিঃ/ লিটার অথবা থায়োপেনেট মিথাইল (টপসিন এম ৭০ ডব্লিউপি) ২ গ্রাম/ লিটার/অথবা টেবুকোনাজল+ ট্রাইফ্লক্সিস্ট্রবিন (নাটিভো) ০. ৫০ গ্রাম/ লিটার, অথবা এজোক্সিস্ট্রবিন+ ডাইফেনোকোনাজল (এজকর/এমিস্টার টপ) ১মিঃলিঃ/লিটার পানিতে মিশে ১০-১৫ দিন পর পর দুইবার স্প্রে করলে এই রোগ থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায় এবং জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি রাখতে হবে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ডিবি প্রধানের সাথে মধ্যান্হভোজ করলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীর সমন্বয়কগণ

দুবাই ইমিগ্রেশনের ডিরেক্টর জেনারেল-এর সাথে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল-এর সাক্ষাৎ

বিমানের টিকেটের দাম কমানোর দাবী জানিয়েছে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে

৭২ বছর পর ভাষাশহিদ রফিকের শেষচিহ্ন কবরটি চিহ্নিত হলো

ডাসারে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

পাইকগাছায় ব্রীজ নির্মাণ কাজ দুই বছর পূর্বে শেষ হলেও সংযোগ সড়ক ভূমিদস্যুদের কবলে থাকায় মিলছেনা সুফল

শাজাহানপুরে হোটেল ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড ও উপ-নির্বাচনে আচরণ বিধি পালনে সর্তক করলেন সহকারী কমিশনার 

নকল সার ও কীটনাশকে চাচঁড়ার মৎস্য চাষীদের সর্বনাশ 

ময়মনসিংহে আবাসিক গ্যাস সংযোগ চালু সহ বিভিন্ন দাবিতে জেলা নাগরিক আন্দোলনের অবস্থান কর্মসূচি

পাইকগাছায় ভিজিএফের চাউল বিতরণে ভুল তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন