বাংলাদেশ সকাল
শুক্রবার , ২৮ জুন ২০২৪ | ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

যশোরে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট; ৯৯৯ এ কল করে রক্ষা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৮, ২০২৪ ৭:৪২ অপরাহ্ণ

 

রিফাত আরেফিন (ব্যুরো প্রধান, যশোর) : যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হামিদপুর পশ্চিমপাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটকালে ভুক্তভোগী ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চান। ফোন পেয়ে পুলিশ এসে উদ্ধার করার আগে বসতবাড়ি ভাংচুর লুট করে করে দূর্বৃত্তরা।

ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামানের অভিযোগের তীর যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য মতে,  যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে শতাধিক যুবক এস্কেবেটর নিয়ে ওই বাড়িতে হাজির হয়ে বাড়ির আটটি ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দিয়ে বাড়ীতে থাকা মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে। আসাদুজ্জামান ৯৯৯ এ কল করে সাহায্য চাইলে দ্রুত খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়। এর আগেই হামলা কারীরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ গোয়েন্দা সংস্থার কয়েকটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

ভক্তুভোগী আসাদুজ্জামানের অভিযোগ ১৯৯৯ সালে বাওর পারের দুই একর ৯৭ শতক জমি ঝিনাইদহ শিল্প ব্যাংকের কাছ থেকে নিলামে কেনেন। এর আগে ওই জমি ছিল বাঘারপাড়ার জনৈক নজরুল ইসলাম নামেএক ব্যক্তির। তিনি সেখানে খামার করেছিলেন শিল্প ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে। পরে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ব্যাংক নিলামে তা বিক্রি করে দেয়। ১৯৯৩ সালে নিলামে কেনার পর থেকেই তিনি ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন।

তিনি আরো জানান, নজরুল ইসলাম মূলত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের বেয়াই। আর এই কারণেই কয়েক বছর আগে থেকেই শহিদুল ইসলাম মিলন এই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।

তিনি আরও জানান, জমি কেনার সময় ভুলবশত ওই জমির দাগ নম্বর এসএ ১০৯ এর পরিবর্তে এসএ ১৬১৯/২০ হয়ে যায়। এই ভুল সংশোধনের জন্য আদালতে মামলা চলমান। এটিকে পুঁজি করে শহিদুল ইসলাম মিলন ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসনসহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। আমি নিজে ওইস্থানে গিয়েছি কোনো প্রমান কেউ দেখাতে পারবে না। আমার কোনো লোকজন সেখানে যায়নি। যার জমি তিনিই সেখানে লোকজন দিয়ে সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও বানোয়াট গল্প সাজাচ্ছে।

কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শফিকুল আলম চৌধুরী বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সীতাকুন্ডে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ৩; আহত ২

মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ইসলামাবাদ থেকে এক নারীকে আটক করলো পুলিশ

আন্ত:জেলা সিএনজি চোর চক্রের মূল হোতা ‘শ্যামল’কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪

পুলিশের বিশেষ নজরদারিতে বেনাপোল চেকপোস্ট, ইমিগ্রেশনে নিরাপদে পাসপোর্ট যাত্রীরা 

ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে ভিড়, থ্যাংকসগিভিং ডে উদযাপন

ময়মনসিংহ রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার কামরুজ্জামানকে ফুলেল শুভেচ্ছা 

দিল্লির এমস হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ, ঘটনার স্থলে দমকল বাহিনী

সিদ্বিরগঞ্জে আলী হোসেন কে খুন করে লাশ গুম করার হুমকী

যশোরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বেকসুর খালাস বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান