গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি :
“কিনতে হচ্ছে চড়ায়, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে কলা পাইনাকো সস্তায় “এভাবেই যেন ছন্দে ছন্দে প্রথম রমজানেই কলা কিনতে এসে অসহায় ক্রেতারা, নিত্য পণ্যের পাশাপাশি দামের ছন্দপতন বাজারের কলাতেও। গঙ্গাচড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট- বাজারগুলোতে রোজাদারদের একপ্রকার নিরুপায় হয়ে কিনতে হচ্ছে ইফতারের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কলা। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম দিনেই কলার দাম হঠাৎ করে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গতকাল রমজান শুরুর আগে যেখানে কলার দাম ছিল ২০ টাকা হালি, সেখানে রমজানের গত দু’দিনে তা বেড়ে হালিপ্রতি ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বৃদ্ধির ফলে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বাজারে কলা কিনতে আসা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতা আহাদ বলেন, “কলায় কি এমন হলো যে রাতারাতি দাম বেড়ে গেল? ব্যবসায়ীরা কি রমজান মাসের অপেক্ষায় থাকে? আল্লাহ শয়তানকে ঠিকই বন্দী করতে পারে, কিন্তু এসব সয়তান ব্যবসায়ীকে কেউ বন্দী করতে পারেনা কেন?”
গঙ্গাচড়া বাজারে কলা কিনতে গিয়ে ক্ষুব্ধ ক্রেতাদের মধ্যে একজন দিনমজুর বলেন, “রমজান মাসে এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধি একদম অযৌক্তিক। সাধারণ মানুষ কিভাবে এভাবে সংসার চালাবে?”
এদিকে, গঙ্গাচড়া উপজেলার একজন স্থানীয় সাংবাদিক তার ফেসবুক পোস্টে রমজান মাসকে পুঁজি করে কলার দাম বৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ধংস হোক এসব মানুষ যারা পবিত্র মাহে রমজান দেখে” ২০ টাকার কলা ৬০ টাকা বিক্রি করছে” আল্লাহ কি এদের হেদায়েত করবেনা?”
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, “এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রমজান মাসে এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এছাড়া, তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং চালিয়ে যাবো এবং মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ শোনার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অবশ্য, এবারের রমজান মাসে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ ক্রেতারা এক ধরনের দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি আরও তীক্ষ্ণ করার দাবি উঠেছে




















