রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধি: রাত পোহালেই নির্বাচন। ইতিমধ্যেই প্রার্থীরা শেষ করেছেন তাদের প্রচার প্রচারণা। ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে আগামীকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ভোটগ্রহণ।
এবারের নির্বাচনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী । চেয়ারম্যান পদে যে সকল প্রার্থীরা লড়াই করছেন তারা হলেন, উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহিন(মোটরসাইকেল), আমেরিকা প্রবাসী নুরুজ্জামান সরদার(ঘোড়া) ও কয়ারিয়া ইউপি ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম(দোয়াত-কলম)।
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে যে সকল প্রার্থীরা লড়াই করছেন তারা হলেন উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম(তালা), উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন( টিউবওয়েল) ও সাহেবরামপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান জামাল( উড়োজাহাজ)।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যারা নির্বচনী মাঠে লড়ছেন তারা হলেন উপজেলা মহিলা আ.লীগের সভাপতি চায়না খানম(ফুটবল), বর্তমান উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা আক্তার বিথি(কলস) ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী নাসরিন (হাস)।
এখানে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী হলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মোটরসাইকেল এবং ঘোড়া প্রার্থীর মধ্যে। দশটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে কালকিনি উপজেলা গঠিত। তবে কালকিনি উপজেলা থেকে মোট ৫টি ইউপি কেটে নিয়ে ডাসার উপজেলা গঠিত হয়েছে। তবে নবগঠিত ডাসার উপজেলার নির্বাচনের তফসিল এখন পর্যন্ত ঘোষনা হয়নি।
কালকিনি উপজেলায় ভোটার সংখ্যা মোট ১৮৫১০২। পুরুষ ভোটার ৯৬৩২৫, মহিলা ভোটার ৮৮৭৭৬ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।
এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারক অনেকটা নীরবে নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে তৌফিকুজ্জামান শাহিনকে সমর্থন দিয়েছেন বলে মাঠে রব উঠেছে। তাই কাগজে কলমে নির্বাচনে প্রার্থী হলেও তাকে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে তেমন দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে তৌফিকুজ্জামান শাহিনের পক্ষে আ.লীগের কর্মী -সমর্থকরা বেশিরভাগ একযোগে নির্বাচনী মাঠে কাজ করায় তিনি রয়েছেন ফুরফুরে মেজাজে।
অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুজ্জামান সরদার বিত্তবান হওয়ায় তিনি কিছুটা হলেও মাঠ কাপাচ্ছেন। তবে আ.লীগের নেতা কর্মীরা তার পক্ষে বেশি না থাকায় তিনি রয়েছে কিছুটা বিপাকে। আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম শুধু নির্বাচনী মাঠে মাইকিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। তেমন কোন প্রচার প্রচারনা তিনি ছিলেন না।
এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা উত্তম কুমার জানান, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষে আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।




















