নিজস্ব প্রতিবেদক : উত্তর ময়মনসিংহের তারাকান্দা টু ধোবাউড়া গামী বিশ্বরোড, দেশ কারফিউ চলমান মুহূর্তে ফুলপুরে লালে লাল বওলার থ্রীহুইল, সিএনজি ও অটো চালক স্টেশন মাস্টার লাল মিয়া।
ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক রাস্তায় চাঁদাবাজি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেও বওলায় চলমান রয়েছে লালে লাল বওলা সিএনজি স্টেশন মাস্টার লাল মিয়ার রাস্তার চাঁদাবাজি দিনদিন বেড়েই চলেছে।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগমুহূর্তে সকল রোড যাতায়াত গামী গাড়ির থেকে তোলা চাঁদাবাজি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বওলার লাল মিয়ার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা সহ হয়রানির শিকার হয়ে পড়েছে সাধারণ জনগণ। এছাড়াও গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। তাছাড়া প্রতিদিন একেক ভাড়ায় খেলছে লাল মিয়ার কেরামতি ভাড়া নির্ধারণ।
গোপন সংবাদে জানা যায়, লাল মিয়া পেশায় একজন চা ব্যবসায়ি ছিলেন। চা ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘ ১ বছর ধরে রাস্তায় নেমে ভোর সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফুলপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে লালে লাল বওলা সিএনজি স্টেশন মাস্টার লাল মিয়া।
উল্লেখ্য বওলা বাস স্ট্যান্ডের চা ব্যবসায়ী খোকন মিয়া,নাছির উদ্দিন, ফুরকান,শফিকুল, মোসাদ্দেক, সাইদুল প্রমুখের দোকানে বসে থেকে বওলা বাস স্ট্যান্ড টু তারাকান্দা টু ময়মনসিংহ গামী ত্রি হুইল সি এন জি,ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকের কাজ থেকে সময়ে (১০- ২০ -৫০) টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লালে লাল মিয়ার চাঁদাবাজি।
এ-ই নিয়ে সম্প্রত্তি সময়ে যাত্রীদের প্রতিবাদে স্হানীয় প্রশাসন কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা কিছুক্ষণের জন্য স্বাভাবিক থাকিলে, যেই প্রশাসন ফুলপুর গামী হয় তখনই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শুরু হয়ে যায় লাল মিয়ার কারচুপি।
স্হানীয় প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে জানান, এই লাল মিয়ার পিছনে শক্তিশালি এক স্হানীয় নেটওয়ার্ক রয়েছে। যার ফলে এখনো পর্যন্ত ফুলপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলমান-চিত্রে লালমিয়ার চাঁদাবাজি দিনদিন বেড়েই চলেছে। এই চিত্রে ভেসে আসা লাল মিয়া উপর প্রশাসন কি পদক্ষেপ নিবেন জানতে চান সাধারণ জনগণ?




















