বাংলাদেশ সকাল
রবিবার , ১৭ মার্চ ২০২৪ | ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

শেষ হওয়া আমন মৌসুমে রাণীনগরে সরকারী গুদামে এক কেজি ধানও দেয়নি উপজেলার কৃষকরা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ১৭, ২০২৪ ৭:৩৩ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ রিপোর্টার: নওগাঁর রাণীনগরে শেষ হওয়া আমন মৌসুমে সরকারী গুদামে এক কেজি ধানও দেয়নি উপজেলার কোন কৃষক। এতে করে সরকারী ভাবে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নীল থাকলেও শাস্তি থেকে বাঁচতে মিলাররা লোকসান গুনে চাল দিয়েছেন গুদামে।

উপজেলা খাদ্যগুদাম সূত্রে জানা গেছে যে, সম্প্রতি শেষ হওয়া আমন মৌসুমে সরকারী ভাবে রাণীনগর উপজেলায় ৩০টাকা কেজিতে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয় ৭৬০মেট্টিক টন। কিন্তু মৌসুম শেষ হলেও এক কেজি ধান সরকারের গুদামে দেয়নি উপজেলার কোন কৃষক। অপরদিকে সরকারী ভাবে ৪৪টাকা কেজিতে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয় ১৩৮৩মেট্টিক টন যার পুরোটাই অর্জিত হয়েছে।

উপজেলার সিঙ্গারপাড়া গ্রামের কৃষক মোস্তাক আহমেদ জানান যে, সরকারী গুদামে ধান দেয়া বড়ই ঝামেলা। গুদামে ধান নিয়ে গেলে তাপমাত্রা দেখে, ধান শুকানো ভালো না মন্দ হয়েছে অর্থাৎ সমস্যার শেষ থাকে না। ধান দেওয়ার পর আবার সেই টাকা তোলার জন্য ব্যাংকে গিয়ে এ্যাকাউন্ট খুলে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন দাঁড়িয়ে টাকা নিতে হয়। এতে করে সময় যেমন নষ্ট হয় তেমনি ভাবে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। অর্থাৎ গুদামে ধান দিলে হয়রানীর শেষ নেই। এছাড়া সরকার তো মোটা ধানের দাম হিসেব করে দাম নির্ধারণ করে দেয় কিন্তু আমরা বেশির ভাগ জমিতে চাষ করি চিকন ধান। এছাড়া আমরা খোলাবাজারে কোন ঝামেলা ছাড়াই বেশি দামে ধান বিক্রি করে নগদ টাকা পাই তাই গুদামে ধান দেই না।

উপজেলার মেসার্স মায়ের দোয়া চাউল কলের মালিক আব্দুর রাজ্জাক জানান লাইসেন্স বাঁচাতে আমরা মিলাররা বাধ্য হচ্ছি সরকারের সঙ্গে চুক্তি করতে। তাই প্রতি মৌসুমে খোলা বাজার থেকে বেশি দামে ধান কিনে তা চাল করে লোকসান দিয়ে সরকারের গুদামে চাল দিচ্ছি। উপজেলা পর্যায়ে আমরা ছোট ছোট মিলাররাই লোকসান দিয়ে সরকারের ঘরে চাল দিয়ে সংকট থেকে সরকারকে রক্ষা করে আসছি অথচ সরকারের সকল সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে বড় বড় অটোমিল মালিকরা। আজ লোকসান দিতে দিতে উপজেলার শতাধিক ছোট ছোট চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক মিল মালিকরা সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছে। তবুও আমাদের প্রতি সরকারের কোন সুদৃষ্টি নেই। কিছু একটা করতে হবে তাই আমরা হাতে গোনা কয়েকজন মিল মালিকরা আজোও ব্যবসাটাকে ধরে রেখেছি। এই রকম লোকসান চলতে থাকলে এক সময় সরকারের গুদামে কেউ আর চাল দিবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: হেলাল উদ্দিন বলেন আমরা প্রতি মৌসুমে গুদামে ধান দেওয়ার জন্য কৃষকদের নানা ভাবে উদ্বুদ্ধ করে আসছি। অপরদিকে উপজেলায় দিন দিন মোটা ধানের চাষ কমে যাচ্ছে। এছাড়া খোলা বাজারে কৃষকরা কোন ঝামেলা ছাড়াই সরকারী দামের চেয়ে বেশি দামে নগদ টাকায় ধান বিক্রি করতে পারার কারণে কৃষকরা গুদাম বিমুখ। তবে আগামীতে যেন এমন আর না হয় সেই বিষয়ে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে কৃষকদের গুদামে ধান দিতে উদ্বুদ্ধ করার কর্মসূচি গ্রহণ করবো।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

কালকিনিতে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার 

সর্বস্তরে স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলনে’র আহবায়কের সাথে বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনারের সাক্ষাত

দেশের শান্তি কামনা করে শেষ হলো তিন দিন ব্যাপি শেরপুর জেলা এজতেমা

বাঁশখালী প্রধান সড়কের পাশে ঝুলে থাকা গাছের ডালে যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা

শেরপুরে অবৈধ ইটভাটার চিমনি গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

সদর উপজেলায় গ্রীন এন্ড ক্লিন এর আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ১০ হাজার বৃক্ষ চারা বিতরণ

সীতাকুণ্ডের কালুশাহ্ (রহঃ) মাজার, মাদরাসা,এতিমখানা দখলে নিতে মরিয়া একটি চক্র, তালা ভেঙ্গে বাক্সের টাকা লুট

নওগাঁর ধামইরহাটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ২২ কিলোমিটার আনন্দ শোভা যাত্রা 

সাগর-রুনি হত্যা : দ্রুত বিচার চান সাংবাদিকরা

ডিমলায় হিমশীতল বাতাস উপেক্ষা করে জমি চাষে ছুটছে কৃষক