ডেস্ক রিপোর্ট॥ ‘সর্বস্তরে স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলনে’র আহবায়ক ইকরামুল কবির বাবলুর সাথে বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ম্যাট ক্যানেলের সাথে সাক্ষাত হয়েছে।
রবিবার ২১ শে মে, বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ পরবর্তী কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে দুপুর ১:৩০ মিনিটে হোস্ট কমিউনিটির দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে ‘বালুখালী লতিফুন্নেছা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’র আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনকালে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও ‘সর্বস্তরে স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলনে’র কেন্দ্রীয় আহবায়ক ইকরামুল কবির বাবলুর সাথে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ম্যাট ক্যানেল দূর্যোগ পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ইকরামুল কবির বাবলু বলেন, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে গ্রামের মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করি। আমরা খুব যত্ন সহকারে মানুষকে স্কুলে নিয়ে আসি, মহিলা টিম গঠন করে ওদেরকে নিয়ে (মহিলাদের) আসি শুকনো খাবার, পানি, টর্চ লাইট পরিবেশন করি। দূর্যোগ শেষ হওয়ার পরে সবাইকে সম্মানের সাথে বাড়ি যাবার জন্যে সাহায্য করে টিম।
পরবর্তীতে, প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সর্বস্তরে স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন আন্দোলনে’র আহবায়ক ইকরামুল কবির বাবলু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে ম্যাট ক্যানেল বলেন, এ ব্যাপারে যথেষ্ট সময় লাগবে, সময়ের ব্যাপার। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলছে কিনা প্রশ্ন করলে ম্যাট বলেন, মায়ানমারে ওদের যাওয়ার পরিবেশ এখনও গড়ে ওঠেনি।
প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শেষে বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে বেশ কিছুটা সময় কাটান। এ সময় বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার বিদ্যালয়ের ভিজিট বুকে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার সার্বিক সন্তোষ ও বিদ্যালয়ের পরিচালনায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মি. স্টেফিন, লতিফুন্নেছা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়ণ কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহাজান সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার স্বেচ্ছাসেবক দল।




















