বাংলাদেশ সকাল
সোমবার , ৩১ জুলাই ২০২৩ | ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি বার্তা
  8. ক্যাম্পাস
  9. খেলাধুলা
  10. খোলা কলাম
  11. জাতীয়
  12. তথ্য ও প্রযুক্তি
  13. ধর্ম ও জীবন বিধান
  14. নির্বাচন
  15. প্রবাস

সোনালী পাটের আঁশ ধুয়ে নিতে ব্যস্ত ডিমলা -জলঢাকার পাট চাষিরা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৩১, ২০২৩ ৪:৪৪ অপরাহ্ণ

ডিমলা, নীলফামারী প্রতিনিধি॥ ‘এবার পাটা ব্যচেয়া কিনিয়া দিম তোক ফুলতোলা শাড়ী’ উত্তর জনপদের বিখ্যাত গান গেয়ে নীলফামারীর জেলার ডিমলা জলঢাকা উপজেলার চলতি পাট মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।

বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পাটের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অন্য বছরের তুলনায় এবার সময় মত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট কেটে তা বিভিন্ন জলাশয়ে জাগ দেওয়া নিয়ে হতাশায় কৃষকেরা। পানির অভাব হলেও চাষিরা পাট কেটে তা নদী, নালা, খাল, বিল ও ডোবায় জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো এবং হাটে বাজারে তা বিক্রিসহ সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে নারী-পুরুষের অংশ গ্রহণে পাট থেকে আঁশ ছাড়ানোর কাজ চলছে।

জলঢাকা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। পাট চাষের শুরুতে বৃষ্টিপাত কম থাকায় অনেক স্থানে চাষ কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও ফলন ভালো হয়েছে। ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকেরা খুশি হয়েছে।উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ভালো মানের পাটের মূল্য ২৫ শত টাকা মণ ও নিম্ন মানের পাটের মূল্য ২১‘শ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। ফলে ন্যায্য মূল্য পেয়ে পাট চাষিদের মাঝে এখন পাট চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলার হলদিবাড়ি গ্রামের কৃষক মো. আজগর আলী জানান, ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলাম পাটও ভালো হয়েছে এবং অন্য বছরের তুলনায় দাম বেশি হওয়ায় লোকসানে পড়তে হচ্ছে না।

উপজেলার কাইম হলদিবাড়ি গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল মজিদ জানান, মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় পাট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম তবে পড়ে বৃষ্টি হওয়ার কারণে ফলন ও ভালো হয়েছে। এবার আমি ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলাম বাজারে পাটের মূল্য বেশি হওয়ার কারণে আগামি বছর আরো বেশি জমিতে পাট চাষ করবো বলে মনে করছি।

এ বিষয়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা জুয়েল ইসলাম জানান, এবার গত বছরের তুলনায় আমাদের এলাকায় পাটের আবাদ অনেক বেশি হয়েছে। আশা করছি বাম্পার ফলন হবে। এলাকার কৃষকরা যাতে পাট যথাযথভাবে উৎপাদন করতে পারে এবং স্বল্প খরচে উচ্চ ফলনশীল পাট উৎপাদন করতে পারে এ জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কৃষকদের নিকট গিয়ে পরামর্শ প্রদান করছি। বিভিন্ন রোগবালাই থেকে পাটকে মুক্ত রাখতেও পরিমিত পরিমান ঔষধ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়ে আসছি।

সর্বশেষ - এক্সক্লুসিভ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সাতক্ষীরা জুড়ে ভুয়া চিকিৎসকের ছড়াছড়ি; নেই কর্তৃপক্ষের নজরদারি (পর্ব-১)

ভূরুঙ্গামারীতে ভটভটি উল্টে চালকের মৃত্যু

জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্তের প্রত্যাশা, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতেই হবে -প্রধান উপদেষ্টা 

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত

ঈদগাঁও ধলেশ্বরী নদীতে দেশীয় পোনা অবমুক্ত 

গঙ্গাচড়ায় ৪৪’তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনি অনুষ্ঠিত 

ভারী বৃষ্টিপাত ও প্রবল বন্যার কবলে পশ্চিম বাংলার ঘাটাল মহাকুমার বিভিন্ন এলাকা 

রাণীনগরে ৩১০ পিচ ইয়াবা সহ মাদক সম্রাজ্ঞী আটক 

লংগদুতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

ঝিকরগাছার বোধখানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার অপকর্মের শেষ কোথায় ?