রুমানা ইয়াসমিন, বিশেষ প্রতিনিধি॥ সৌদি আরবে বাংলাদেশি গৃহকর্মীকে প্রতিদিন ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতনের কথা জেনে অনেক পাঠক সৌদিদের প্রতি নানা ক্ষোভ ও তাদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক পাতায়।
‘‘সৌদিতে বাংলাদেশি নারীদের রক্ষার উপায় হলো বাংলাদেশ থেকে কোনো নারী শ্রমিক না পাঠানো। শুধু সৌদিতেই না, মধ্যপ্রাচ্যর কোনো দেশেই নারী শ্রমিক পাঠানো ঠিক নয়”। ধর্ষণের হাত থেকে বাংলাদেশি নারীদের রক্ষা করার উপায় সম্পর্কে এই পরামর্শ দিয়েছেন পাঠক হাদেয়ুল আলম।
সৌদি আরবি শুধু না আরব দেশের মানুষগুলোই নাকি এমন !
তবে পাঠক নাহিদ মনে করেন ‘‘এরা নামে শুধু মুসলিম, কিন্তু এদের ব্যবহার এবং কাজকর্ম ইহুদিদের চেয়েও খারাপ।”
অন্যদিকে যেসব নারী শ্রমিককে উপার্জনের জন্য সৌদি আরবে যেতে হয়, তাঁদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে হয়তো তাঁদের আর বিদেশে যেতে হবে না। এক্ষেত্রে পাঠক রুবেল অনেকটা নিশ্চিত যে, বাংলাদেশ সরকার তা করবে না। তাঁর প্রশ্ন, বাংলাদেশ থেকে কেন শুধু গৃহকর্মী পাঠানো হয় সৌদি আরবে? রুবেল মনে করেন, বাংলাদেশ থেকে সেবিকার মতো শিক্ষিত নারীকর্মী পাঠানো যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে৷ আর তাহলে হয়তো ধর্ষণের মতো জঘন্য ব্যাপার আর ঘটবে না।
তবে পাঠক দীপক দে লিখেছেন, ‘‘এত কিছু সত্বেও দেখি কিছু মানুষের অন্ধ ভালোবাসা আছে সৌদির প্রতি।”
পাঠক সৌরভ অবশ্য ভিন্নমত পোষন করেন। তাঁর ভাষায়, ‘‘সব দেশেই খারাপ মানুষ আছে, তাই বলে এই দেশকে প্রতি ঘৃণা করা উচিত? ইন্ডিয়ায় তো এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় পতিতালয় আছে, রাস্তাঘাটে মেয়েরা ধর্ষিত হয়।”
পাঠক খুরশীদ আলম মনে করেন, সৌদিতে বাংলাদেশি নারীদের রক্ষার উপায় হলো, বাংলাদেশ থেকে কোনো নারী শ্রমিক সে দেশে না পাঠানো।
আবদুল আলীম দুঃখ করে লিখেছেন, যাঁরা তাঁদের মা, বোনকে সৌদি আরবে পাঠায়, সে পরিবারের পুরুষগুলো নিশ্চয়ই পরিবারের ভরণ-পোষণ করতে অক্ষম।
আর আশিক মনে করেন,‘‘দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এগুলো সবাই জানে, তারপরও নারীরা সৌদি আরবে যাচ্ছে।”




















