এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ :
অল্পদিনের মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ জেলা বাসীর সর্ব শ্রেণীর হৃদয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে জায়গা করে নিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া। এত অল্প সময়ের মধ্যে অন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষে যা সম্ভব হয় নাই তাই তিনি করিয়ে দেখাচ্ছেন।
জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া যোগদানের পর সর্বপ্রথম নারায়ণগঞ্জ জেলার সকল সাংবাদিক সমাজের সাথে মত বিনিময় সভা করে তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান পরামর্শ গ্রহণ করেন এবং তা খুব দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তারপর জেলার ফ্যাসিস্ট দল ছাড়া সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ও সরকারি উকিলদের সাথে ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন সহ একের পর এক বিভিন্ন কমিটির সাথে মতবিনিময় করেন। তাদের কাছ থেকে তাদের মূল্যবান পরামর্শ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
তিনি জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সৎ ও নিষ্ঠার সাথে যথাসাধ্য পালন করে যাব ইনশাল্লাহ।
জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিয়া আসার পরেই নারায়ণগঞ্জ জেলার সমস্ত সরকারি অফিস গুলোর কার্যক্রম তদারকি করে যাচ্ছেন। যার কারণে মানুষ খুব সহজেই সরকারি সেবাগুলো পাচ্ছেন বলে জানা যায়। তার অক্লান্ত পরিশ্রম, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বিচক্ষণতা ও কঠোরতার কারণে নারায়ণগঞ্জ জেলার সরকারি অফিসগুলোতে ঘুষ, দুর্নীতি ও অলসতা অনেকাংশে কমে যাচ্ছে এবং নিয়ম-তান্ত্রিক ভাবে সবাই কাজ করছে সব ছিল ও সৎ, নেয় ও নিষ্ঠাবান হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে অনেকেই।
নারায়ণগঞ্জের অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে সর্ব মহল যানজট নিরসনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিল। তাই সে কঠোর ভাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যানজট নিরসনের কাজ করে যাচ্ছেন যতটুকু সম্ভব এবং এর সুফল নারায়ণগঞ্জবাসী ভোগ করছেন।
এছাড়াও সর্ব সেক্টরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। কৃষি জমি থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্কুল কলেজ খেলার মাঠ পাঠাগার সর্বক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ হওয়ার কথা অনেক বছর থেকেই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। তাই জেলা প্রশাসক কথা দিয়েছেন খুব দ্রুত মেডিকেল কলেজ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবেন ও চেষ্টার কোন ত্রুটি করবেন না।
তিনি বলেন, জ্ঞানের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলে সমাজ থেকে অন্যায়, অত্যাচার কিশোর গ্যাং ও ভয়াবহ মাদককের হাত থেকে যুবসমাজ খুব দ্রুত গতিতে ভালো হওয়ার সুযোগ পাবে। বই পড়লে জ্ঞান বাড়ে তাই পাঠাগার বৃদ্ধি সহ খেলার মাঠ বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছেন।
সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বলেছিলেন, চাষাড়া থেকে সাইনবোর্ড এর লিংক রাস্তাটির উভয় পাশে অনেক ঘনবসতি তাই জরুরী কাজে দুই পাড়ের মানুষের রাস্তা পারাপার হতে হয়। কিন্তু এত চওড়া রাস্তা দিয়ে পারাপার হওয়া খুবই বিপদজনক বলে মনে করছেন। পুরো রাস্তাটির ভিতর মাত্র একটি ফুটওভার ব্রিজ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে। মানবতার ফেরিওয়ালা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া আরো অনেকগুলি ফুটওভার ব্রিজের প্রয়োজনীয়তা মনে করেছেন। এবং তা বাস্তবায়ন করবেন নারায়ণগঞ্জবাসী আশাবাদী। তিনি বলেন সময় থেকেও মানুষের জীবন অনেক মূল্যবান। মানুষের জীবন একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না। তাই রাস্তা পার হতে যেয়ে যেন কোন মানুষ এক্সিডেন্টের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ না করেন।
তার অল্প দিনের কার্যক্রমে নারায়ণগঞ্জ বাসী খুবই আনন্দিত ও উৎফুল্ল। সর্ব শ্রেণীর মানুষ মনে করছেন নারায়ণগঞ্জের জন্য তিনিই যোগ্য জেলা প্রশাসক। একেই বলে মানবতার ফেরিওয়ালা। তিনি পারবেন নারায়ণগঞ্জের ভবিষ্যৎ ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সর্বক্ষেত্রে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার সকল মানুষ আশাবাদী।




















